৩৯ বছর বয়সেও মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন লিওনেল মেসি। ঘরের মাঠে পরবর্তী বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে হতে তার বয়স হবে ৪৩ বছর। স্বাভাবিক বিচারে এই বয়সে ফুটবল খেলার কথা কেউ ভাবেন না, তবে মেসির ক্ষেত্রে কোনো সম্ভাবনাই একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ক্যারিয়ারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচের আগে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপেও কি আর্জেন্টাইন জার্সিতে দেখা যাবে এই মহাতারকাকে?
বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কোনো স্পষ্ট উত্তর দেননি আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। বরং মেসির প্রশংসা করে তিনি বলেন, এটিই মেসির শেষ বিশ্বকাপ কি না, তা তিনি জানেন না। স্কালোনি আরও বলেন, এ বিষয়ে তাদের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে ৩৯ বছর বয়সেও মেসি যে ফর্মে আছেন এবং যেভাবে দলকে ফাইনালে তুলেছেন, তা তার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়। তিনি বলেন, মেসি আমাদের অবাক করা থামান না।
২০১৮ সালের বিশ্বকাপের পর অনেকেই মনে করেছিলেন ৩১ বছর বয়সি মেসির ক্যারিয়ার শেষ। কিন্তু তিনি থেমে থাকেননি। ২০২২ সালে ৩৫ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বসেরা হয়েছেন। এবারও সেমিফাইনাল পর্যন্ত ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বুট ও গোল্ডেন বলের দৌড়ে এগিয়ে আছেন তিনি। অনেকে মনে করেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচ খেলেই তিনি থামতে পারেন, আবার অনেকের মতে তিনি ২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলতে পারেন।
নিউজার্সি স্টেডিয়ামে রোববার বাংলাদেশ সময় দিয়াগত রাত ১টায় শিরোপার লড়াইয়ে নামবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। কোচ স্কালোনি মনে করেন, ম্যাচের ফল যাই হোক না কেন, মেসির কীর্তি কোনোভাবেই কমবে না। তিনি বলেন, মেসি যা অর্জন করেছেন, তা কয়েক বছর আগে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। এই পর্যায়ে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সহজ নয়। তিনি আরও বলেন, আমরা শিরোপা জেতার জন্যই খেলব, তবে জিততে না পারলেও মেসি সবার জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবেন।
সেখানে হয়তো থামতে পারত মেসির সাফল্যমণ্ডিত ক্যারিয়ারের পথচলা। তবে থেমে যাননি সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বরং নিজেকে প্রস্তুত করেছেন ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য। আর এই টুর্নামেন্টে এসেও সেরা সময়ের মতোই দুর্বার তিনি।

















