২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোর এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানের অবিশ্বাস্য জয় পেয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই মোহাম্মদ সালাহর নেতৃত্বাধীন মিসর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। এর সুবাদে ১৪তম মিনিটে মারওয়ান আত্তিয়ার বাড়ানো শর্ট কর্নার থেকে দারুণ এক হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইয়াসের ইব্রাহিম। গোল হজম করার পর ১৯তম মিনিটে সমতায় ফেরার বড় সুযোগ পায় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে লিওনেল মেসির নেওয়া শটটি মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন। প্রথমার্ধে এরপর ম্যাক অ্যালিস্টার, হুলিয়ান আলভারেজ ও মেসির একাধিক আক্রমণ ব্যর্থ করে দেন মিসরের এই গোলরক্ষক।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে মিসর। ৫৭তম মিনিটে তারা একবার গোল করলেও ভিএআর প্রযুক্তির সহায়তায় সেটি বাতিল করা হয়। তবে ৬৭তম মিনিটে আর কোনো ভুল হয়নি; মোহাম্মদ সালাহর তৈরি করা সুযোগ থেকে হাসিম হাসানের পাস পেয়ে মোস্তাফা জিকো গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ৭৯তম মিনিটে মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান কমান ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। এর মাত্র চার মিনিট পর বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াচ্ছিল, ঠিক তখনই নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের আক্রমণ থেকে লাউতারো মার্তিনেজের ক্রসে দুর্দান্ত এক হেডে জয়সূচক গোলটি করেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। শেষ ১৫ মিনিটে তিন গোল করে এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা এখন পরবর্তী রাউন্ডের জন্য প্রস্তুত।
গোল হজমের পরই সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। ১৯তম মিনিটে পেনাল্টি পায় লিওনেল স্কালোনির দল। তবে স্পটকিক থেকে লিওনেল মেসির নেওয়া শট অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। এরপর ম্যাক অ্যালিস্টার, হুলিয়ান আলভারেজ ও মেসির একাধিক প্রচেষ্টাও ব্যর্থ করে দেন তিনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থাকে মিসর।

















