অর্থনীতি

অর্থবছর কেন জানুয়ারি-ডিসেম্বর নয়: অর্থনীতিবিদদের প্রশ্ন

প্রতিবেদক
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুতে বন্ধু দীপ পুলিশ হেফাজতে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুতে বন্ধু দীপ পুলিশ হেফাজতে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় নিয়মিত হাঁটার গুরুত্ব ও সতর্কতা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় নিয়মিত হাঁটার গুরুত্ব ও সতর্কতা এইচএসসি পরীক্ষার ফল যেভাবে জানবেন অনলাইনে ও এসএমএসে এইচএসসি পরীক্ষার ফল যেভাবে জানবেন অনলাইনে ও এসএমএসে চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাবনায় গুলি করে শ্রমিক লীগ ও শ্রমিক দলের দুই নেতাকে হত্যা পাবনায় গুলি করে শ্রমিক লীগ ও শ্রমিক দলের দুই নেতাকে হত্যা তাহসিফের মৃত্যু: বন্ধু দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিল পিবিআই তাহসিফের মৃত্যু: বন্ধু দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিল পিবিআই আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়ে কেন চাপে নেতানিয়াহু আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়ে কেন চাপে নেতানিয়াহু ৭১৭ রানের রেকর্ড ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে জয় পেল ইংল্যান্ড ৭১৭ রানের রেকর্ড ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে জয় পেল ইংল্যান্ড লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ হত্যায় গ্রেপ্তার ২, কারাগারে প্রেরণ লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ হত্যায় গ্রেপ্তার ২, কারাগারে প্রেরণ ধর্ম অবমাননা ও প্রচলিত আইন: ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রেক্ষাপট ধর্ম অবমাননা ও প্রচলিত আইন: ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রেক্ষাপট
সব খবর

সরকার অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করে বর্তমান জুলাই-জুন থেকে এপ্রিল-মার্চ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। এর আগে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে নয় মাসের একটি অন্তর্বর্তীকালীন সময় বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এই অর্থবছর পরিবর্তনের সময়কাল নিয়ে দেশের অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও কর বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, অর্থবছর পরিবর্তন করা হলে তা পূর্ণাঙ্গ ক্যালেন্ডার বছর অর্থাৎ জানুয়ারি-ডিসেম্বর কেন হচ্ছে না, এই প্রশ্নটিই এখন সামনে এসেছে।

রাজস্ব ও আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং অধিকাংশ বহুজাতিক কোম্পানি তাদের বার্ষিক হিসাব সাধারণত জানুয়ারি-ডিসেম্বর মেয়াদের মধ্যেই সম্পন্ন করে থাকে। জাতীয় অর্থবছরকেও যদি ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে মেলানো হতো, তবে করপোরেট কর পরিপালন ও আইনি প্রক্রিয়া সহজ হতো। একই সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে পরিসংখ্যানগত সামঞ্জস্য আসত এবং নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া পুরো শুষ্ক মৌসুমকে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) নির্মাণকাজে শতভাগ ব্যবহার করা যেত। এই বাস্তবতায়, আংশিক পরিবর্তনের চেয়ে ক্যালেন্ডার বছরকে জাতীয় অর্থবছর করাই সরকারের জন্য অধিকতর দূরদর্শী ও ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত হতো বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনগুলোও জানুয়ারি-ডিসেম্বর মেয়াদের পক্ষে জোরালো যুক্তি দিচ্ছে। তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেছেন, অর্থবছর পরিবর্তন করতে হলে সেটি জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর করাই সবচেয়ে ভালো। ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদনমুখী কোম্পানিগুলোর সাধারণত ডিসেম্বর ও জুন মাসে দুটি প্রধান ব্যস্ত সময় (পিক টাইম) থাকে, তাই বিদ্যমান অর্থবছর পরিবর্তন করতে চাইলে জানুয়ারি-ডিসেম্বর করাই যুক্তিযুক্ত বলে তিনি মনে করেন।

কর বিশেষজ্ঞদের মতেও, অর্থবছর জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চ করার পরিকল্পনার চেয়ে পূর্ণাঙ্গ ক্যালেন্ডার বছর (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) গ্রহণ করা অর্থনীতির জন্য অনেক বেশি ফলপ্রসূ হতো। এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া আমার দেশকে বলেন, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা ও অধিকাংশ বহুজাতিক কোম্পানি ইতোমধ্যেই ক্যালেন্ডার বছরে হিসাব সমাপনী করে। জাতীয় অর্থবছর এর সঙ্গে মেলালে করপোরেট কর পরিপালন সহজ হতো এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে পরিসংখ্যানগত সামঞ্জস্য আসত।

তিনি আরো বলেন, সবচেয়ে বড় সুবিধা পাওয়া যেত এডিপি বাস্তবায়নে। নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া পুরো শুষ্ক মৌসুমকে প্রথম দিন থেকেই উন্নয়নকাজে শতভাগ কাজে লাগানো যেত; বর্ষায় কাজ আটকে থাকত না। এসব কারণে ক্যালেন্ডার বছরকেই জাতীয় অর্থবছর করা অধিকতর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হতো বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অর্থ আইন অনুযায়ী, এক অর্থবছরের বরাদ্দ করা অর্থ পরবর্তী অর্থবছরে খরচের সুযোগ নেই। কিন্তু বিদ্যমান অর্থবছরের শেষ দিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং সড়ক বিভাগে বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উত্তোলন করে পরবর্তী সময়ে কাজ সম্পন্ন ও বিল পরিশোধের অভিযোগ রয়েছে। এতে কাজের মান বজায় থাকে না এবং অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেও অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় হয়। সরকারি আর্থিক বিধিমালা (জিএফআর) অনুযায়ী, এক অর্থবছরে সরকারের জন্য অননুমোদিত বকেয়া দায় সৃষ্টি করা যায় না। একইভাবে ভবিষ্যতে অর্থ প্রাপ্তির আশায় বর্তমানে দায় সৃষ্টি করারও সুযোগ নেই। কিন্তু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ (এলজিইডি) সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোয় এসব বিধির ব্যত্যয় ঘটিয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের চাপের মুখে পড়ে অর্থ ছাড় করতে গিয়ে সরকারি অর্থের অপচয় ও অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়। এছাড়া অর্থবছর শেষে অব্যবহৃত অর্থ পরবর্তী অর্থবছরের প্রথম সাত দিনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার বিধান থাকলেও বন্যা-বৃষ্টির মতো নানা অজুহাতে এ বিধান নিয়মিতভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম ও আর্থিক বিশৃঙ্খলা রোধে অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দেশে অর্থবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন হিসাব করার ফলে জুলাই-আগস্ট মাসে, অর্থাৎ বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকে। এতে বর্ষার কারণে কাজ দীর্ঘায়িত হয়, কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহার করা হলে বর্ষার আগেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এ জন্য ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ অর্থবছর নির্ধারণ যুক্তিযুক্ত বলে তারা মনে করেন। নীতিনির্ধারকদের মতে, এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহার করা হলে মে-জুন-জুলাই মাসের তীব্র বর্ষাকালের আগেই দেশের বড় বড় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নির্মাণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে, যা কাজের গুণগত মান বজায় রাখবে এবং জনদুর্ভোগ কমাবে।

এই রূপান্তরের ট্রানজিশন বা উত্তরণকাল হিসেবে আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরটি হবে মাত্র নয় মাসের (১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৮) একটি অন্তর্বর্তীকালীন বছর। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে স্থায়ীভাবে এপ্রিল-মার্চ চক্র চালু হবে, যা ভারত, যুক্তরাজ্য, জাপান ও সিঙ্গাপুরের সরকারি অর্থবছরের সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করব্যবস্থা ও সরকারি হিসাবরক্ষণের আমূল পরিবর্তন না করে আংশিক পরিবর্তনের এই সুফল কতটা পাওয়া যাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

অর্থবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন-সংক্রান্ত কমিটি ইতোমধ্যে প্রথম বৈঠক করেছে। এই বড় পরিবর্তনের সঙ্গে সংগতি রেখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি), জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি), বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর এবং সরকারি কর্মচারী হাসপাতালসহ সংশ্লিষ্ট নয়টি দপ্তর ও সংস্থাকে তাদের নিজ নিজ দপ্তরের প্রয়োজনীয় তথ্য ও মতামত পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের মতামতের ভিত্তিতে কর্মপন্থা নির্ধারণে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

কমিটি আইনগত পরিবর্তনের বিষয়টি যাচাই করছে, সংবিধানের ধারায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন কিনা তা খতিয়ে দেখছে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিজস্ব অবস্থান থেকে আইনি কোনো বিষয় রয়েছে কিনা তা যাচাই করছে। এছাড়া রাজস্ব বা কর-সংক্রান্ত পরিবর্তনের বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) রাজস্ব-সংক্রান্ত কী কী বিষয় রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। অর্থবছর পরিবর্তনের সঙ্গে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত বিভিন্ন সিস্টেমে প্রযুক্তিগত কী পরিবর্তন আনতে হবে, তাও খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দাতাসংস্থাগুলো বর্তমানে ঋণ বা অনুদান দিয়ে থাকে বিদ্যমান অর্থবছর অনুসারে। অর্থবছর পরিবর্তনজনিত কারণে তাদের দিক থেকে কোনো বক্তব্য রয়েছে কিনা বা পরিবর্তন করলে তাদের চলমান ঋণগুলোর সমন্বয় কীভাবে হবে, এ বিষয়গুলো নিয়ে দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।

দেশের অর্থবছর সংবিধান অনুসারে ‘অর্থ বৎসর’ অর্থাৎ জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া বছর। এছাড়া সংবিধান অনুসারে অর্থবছরের বাজেট বা ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ সংসদে উপস্থাপিত হয়। সুতরাং, অর্থবছর পরিবর্তন করতে গেলে আগে সংবিধানের এই ধারাগুলোতে সংশোধন আনতে হবে, যার জন্য আইন মন্ত্রণালয়কে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) কর ও রাজস্ব-সংক্রান্ত পরিবর্তনের বিষয়গুলো এবং দাতা সংস্থাগুলোর ঋণ ও অনুদানের চলমান হিসাবের সমন্বয়ের উপায় খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই অর্থবছর পরিবর্তনের দাবি ছিল অর্থনীতিবিদ, বিশ্লেষকসহ বিভিন্ন মহলের। সর্বশেষ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলও অর্থবছর পরিবর্তনের দাবি তুলেছিল, যদিও তারা জানুয়ারি-ডিসেম্বর করার পক্ষে ছিলেন। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ আগস্ট বিদ্যমান অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করে নতুন সময়কাল নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ওই দিন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অর্থবছরের সময়কাল ভিন্ন ভিন্ন। কোনো দেশ ক্যালেন্ডার বছর অনুসরণ করে, আবার কোনো দেশ এপ্রিল, জুলাই বা অক্টোবর থেকে অর্থবছর শুরু করে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অধিকাংশ সদস্যদেশে জানুয়ারি-ডিসেম্বর অর্থবছর প্রচলিত। তবে যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক প্রভাবের কারণে বেশ কয়েকটি দেশে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালু রয়েছে। ভারত, যুক্তরাজ্য, জাপান, কানাডা, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ আফ্রিকায় সরকারি অর্থবছর শুরু হয় ১ এপ্রিল এবং শেষ হয় পরবর্তী বছরের ৩১ মার্চ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থবছর শুরু হয় ১ অক্টোবর, শেষ হয় ৩০ সেপ্টেম্বর। চীন, জার্মানি ও ফ্রান্সে ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থবছর গণনা করা হয়। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানে অর্থবছর চলে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত।

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুতে বন্ধু দীপ পুলিশ হেফাজতে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুতে বন্ধু দীপ পুলিশ হেফাজতে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় নিয়মিত হাঁটার গুরুত্ব ও সতর্কতা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় নিয়মিত হাঁটার গুরুত্ব ও সতর্কতা এইচএসসি পরীক্ষার ফল যেভাবে জানবেন অনলাইনে ও এসএমএসে এইচএসসি পরীক্ষার ফল যেভাবে জানবেন অনলাইনে ও এসএমএসে চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাবনায় গুলি করে শ্রমিক লীগ ও শ্রমিক দলের দুই নেতাকে হত্যা পাবনায় গুলি করে শ্রমিক লীগ ও শ্রমিক দলের দুই নেতাকে হত্যা তাহসিফের মৃত্যু: বন্ধু দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিল পিবিআই তাহসিফের মৃত্যু: বন্ধু দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিল পিবিআই আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়ে কেন চাপে নেতানিয়াহু আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়ে কেন চাপে নেতানিয়াহু ৭১৭ রানের রেকর্ড ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে জয় পেল ইংল্যান্ড ৭১৭ রানের রেকর্ড ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে জয় পেল ইংল্যান্ড লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ হত্যায় গ্রেপ্তার ২, কারাগারে প্রেরণ লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ হত্যায় গ্রেপ্তার ২, কারাগারে প্রেরণ ধর্ম অবমাননা ও প্রচলিত আইন: ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রেক্ষাপট ধর্ম অবমাননা ও প্রচলিত আইন: ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রেক্ষাপট
সব খবর