যন্তর মন্তরে কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করেছে দিল্লি পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দিল্লির ১৫টি জেলা থেকে অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া যারা এই কর্মসূচিতে লোক জড়ো করতে বা সাধারণ মানুষকে প্ররোচিত করতে পারে, এমন ব্যক্তিদের ওপর কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে এবং তাদের বাসভবনের বাইরেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
বিক্ষোভের কারণে দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)। তবে যেসব স্টেশন তালিকার বাইরে রয়েছে, সেখানে মেট্রো পরিষেবা চালু থাকবে এবং যাত্রীরা এক লাইন থেকে অন্য লাইনে যাওয়ার সুবিধা পাবেন। ডিএমআরসির তালিকাভুক্ত নয় এমন স্টেশনগুলো ব্যবহার করে যাত্রীরা বাস, ট্যাক্সি বা অটোরিকশার মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। কেন্দ্রীয় অংশে যানজটের আশঙ্কায় যাত্রীদের হাতে অতিরিক্ত সময় নিয়ে বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যানজটের আশঙ্কায় ভোর ৪টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত টানা ১০ ঘণ্টা নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন চলাচল স্থগিত থাকবে। এই সময়ের নির্ধারিত মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো যাত্রা শুরুর স্টেশন থেকেই বাতিল করা হয়েছে। যেসব যাত্রীর ট্রেনযাত্রা বাতিল হয়েছে, তারা আইআরসিটিসির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিটের অর্থ ফেরত নিতে পারবেন। বিকল্প হিসেবে যাত্রীরা পুরোনো দিল্লি, আনন্দ বিহার টার্মিনাল বা দিল্লি সরাই রোহিল্লা স্টেশন ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারেন।
দিল্লির আবগারি দপ্তর জানিয়েছে, ৯ ও ১০ অক্টোবর পুরো দিল্লিতে খুচরা মদের দোকান বন্ধ থাকবে। বিপণিবিতানসহ নির্দিষ্ট আউটলেটে ভারতীয় ও বিদেশি মদ বিক্রির ওপর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে, তবে লাইসেন্সধারী রেস্তোরাঁ, বার ও ক্লাবে মদ পরিবেশন স্বাভাবিক থাকবে। এছাড়া দিল্লির সরাই কালে খাঁ ও নিউ অশোক নগর নমো ভারত স্টেশন দুটি ৯ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে ১০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে আনন্দ বিহার থেকে মোদিপুরাম পর্যন্ত নমো ভারত ট্রেন পরিষেবা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চালু থাকবে।

















