জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সামনে দুটি পথ খোলা রেখেছেন। তিনি বলেন, একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে পুনর্গঠনের সুযোগ রয়েছে, অন্যদিকে চুক্তি না হলে সম্ভাব্য ভয়াবহ সংঘাতের মুখে পড়তে হতে পারে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি কী তাদের এমন এক নরকের দিকে ঠেলে দেব, যেখানে টিকে থাকার কোনো সুযোগ থাকবে না। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মহান হওয়ারও কোনো আশা থাকবে না।’
তবে এমন কঠোর সতর্কতার মধ্যেও ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই এই চুক্তি হতে পারে। তার মতে, ‘তেহরানের জন্য চুক্তিতে রাজি না হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।’
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পাশাপাশি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় কূটনৈতিক উদ্যোগ আবারও গুরুত্ব পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অধিবেশনে ইরান যুদ্ধ, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন, কিউবার অর্থনৈতিক অবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ নানা প্রসঙ্গও উঠে আসে।

















