রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন সময়ে কোনো আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয় না, তবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে বা পরে কোনো অভিযোগ থাকলে তার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা স্পষ্ট করেন যে, তার এই বক্তব্য সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে নয়, বরং যেকোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতিকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, দায়মুক্তির বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন তিনি আইনের মুখোমুখি হন না। কিন্তু পদ থেকে সরে আসার পর, কিংবা দায়িত্বে আসার আগে যদি কোনো ধরনের অসদাচরণ বা অভিযোগ থাকে, তবে সেগুলোর জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, এ বছরের মধ্যেই নির্বাচন শুরু করার বিষয়ে সরকারের পূর্বের অবস্থান এখনো বহাল রয়েছে। সেই সঙ্গে কক্সবাজারকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করা ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তিনি বলেন, সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী কারো চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে সরকার চাইলে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে পারে এবং এর জন্য কারণ দর্শানোর প্রয়োজন হয় না।
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য নয়, বরং পর্যবেক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সেখানে যাবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এই সম্মেলন নিয়ে প্রাথমিক কথাবার্তা শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

















