রাজধানীর খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট এখনো কাটেনি। সরকার তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করলেও বাজারে এর সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। মুদি দোকানিদের অভিযোগ, চাহিদামতো তেল অর্ডার দিয়েও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হলেও অনেক দোকানেই পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
বাজারে কেবল তেল নয়, আটা ও ময়দার দামও ঊর্ধ্বমুখী। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা আটা ৪৮ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক মাস আগেও এই পণ্যের সর্বনিম্ন দাম ছিল ৪৫ টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আটার দাম ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ বেড়েছে।
পাশাপাশি খোলা ও প্যাকেটজাত ময়দার দামও বেড়েছে। আগে প্রতি কেজি খোলা ময়দা ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় পাওয়া গেলেও এখন তা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত ময়দার দাম প্রতি কেজিতে ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে, যা এক মাস আগেও ছিল ৬৫ থেকে ৭৫ টাকার মধ্যে।
নিত্যপণ্যের এই বাড়তি দামের তালিকায় যুক্ত হয়েছে ডিম ও মুরগিও। বাজারে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ১৫০ টাকা এবং প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাছ ও সবজির দামও বাড়তি রয়েছে। সব মিলিয়ে তেল, আটা-ময়দা, ডিম ও মুরগিসহ নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

















