ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলের নেতাদের সম্মানে নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই আয়োজনে অংশ নেন শরিক দলের নেতারা। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি টেবিলে গিয়ে শরিক নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়, যা পাঠ করেন ইসলামী ঐক্যজোটের শওকত আমিন। এরপর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাইফুল হক এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান ও আবদুল আউয়াল মিন্টু।
নৈশভোজের সময় প্রধানমন্ত্রী বুফে টেবিলে দাঁড়িয়ে শরিক নেতাদের সঙ্গে খাবার সংগ্রহ করেন এবং পরে তাদের সঙ্গেই রাতের খাবার গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই টেবিলে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী এবং ভাসানী জনশক্তি পার্টির শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।
এদিন মোট ৪১টি দলের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, সাম্যবাদী দলের নুরুল ইসলাম, ইসলামিক পার্টির আবুল কাসেম, কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, ডেমোক্রেটিক লীগের মহিউদ্দিন কাদরি শওকত ও খোকন চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ ন্যাপের শাওন সাদেকী, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বিকল্প ধারার নুরুল আমিন ব্যাপারি, গণদলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মন্ডল, গণফোরামের মিজানুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নূর ও ফারুক হাসান, আম জনতা দলের অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল মিয়া মসিউজ্জামান ও তারেক রহমান, সাম্যবাদী দল (এমএল) সাধারণ সম্পাদক হারুন চৌধুরী, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম ও খন্দকার আহসান হাবিব, জনতার অধিকার পার্টির তারিকুল ইসলাম ভুঁইয়া ও এমএ আর রাজা রহমান, এনডিপির কেএস আবু তাহের ও আবদুল্লাহ আল হারুন, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ এবং বিএনপির শাহাদাৎ হোসেন সেলিম ও রেদোয়ান আহমেদ।

















