প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫: ২৬
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের একটি লংমার্চ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচির মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ। লংমার্চের অংশ হিসেবে ওই দিন শনিবার বিকেল ৪টায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চৌমাথায় একটি পথসভাও অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মসূচিটি সফল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার পলাশবাড়ী উপজেলা পৌর জামায়াত কার্যালয়ে সর্বস্তরের দায়িত্বশীলদের নিয়ে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের আমির ও সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। জেলা ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, আনোয়ারুল ইসলাম, ডা. আব্দুর রহিম সরকার এবং সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ ও অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম অন্যতম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, এই লংমার্চ কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, বরং দেশের মানুষের ভোটের মর্যাদা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। তিনি সরকারকে জনগণের মনোভাব বুঝে গণভোটের রায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশকে সঠিক পথে পরিচালনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি নেতাকর্মীদের উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার গোবিন্দগঞ্জ থেকে সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট পর্যন্ত লংমার্চ বহরকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সুশৃঙ্খল প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
প্রস্তুতি সভা শেষে নেতৃবৃন্দ পলাশবাড়ী চৌমাথায় পথসভার নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবুকে আহ্বায়ক এবং সৈয়দ রোকনুজ্জামানকে সদস্য সচিব করে সাত সদস্যের একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে কাজের সুবিধার্থে আটটি বিভাগীয় কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

















