২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম আজ ২০ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সশরীরে স্ব-স্ব কলেজে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত ভর্তি ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। শনিবার রাতে একাদশে ভর্তির কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাইগ্রেশনের ফলাফলও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের চূড়ান্তভাবে কোন কলেজে ভর্তির সুযোগ হয়েছে তা জানানো হয়েছে।
ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষার মার্কসশিট ও সার্টিফিকেটের কপি, প্রবেশপত্র, দুই থেকে চার কপি পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা রঙিন ছবি, অনলাইন আবেদন নিশ্চায়নের কপি এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মোবাইল নম্বর সঙ্গে রাখতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালার আলোকে প্রতিষ্ঠানভেদে ভর্তি ফি সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত কলেজে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা এবং নন-এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বিভাগীয় শহর বা অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ফি সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা এবং জেলা পর্যায়ে ২ হাজার টাকা ও উপজেলা পর্যায়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে।
এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় মোট আসনের ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। বাকি ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত। এই কোটা পদ্ধতি শুধুমাত্র ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য যে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ফলাফলে ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন আবেদনকারীর মধ্যে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন প্রথম ধাপে মনোনীত হয়েছিলেন। এর মধ্যে ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন সম্পন্ন করেছেন। যারা নিশ্চায়ন করেননি, তাদের প্রাথমিক মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর পুনরায় আবেদন গ্রহণ করা হবে, যেখানে নিশ্চায়ন না করা শিক্ষার্থীরা পুনরায় আবেদনের সুযোগ পাবেন।
এরপর তাদের নিশ্চায়ন করতে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি হতে নিশ্চায়ন করেছে ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন শিক্ষার্থী। বাকি ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৭৪ জন নিশ্চায়ন করেনি। ফলে তারা প্রথম ধাপে একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়েছে।

















