প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ৪১। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) ফাইনালে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকনস। জ্যামাইকা কিংসমেনের দেওয়া ১৭১ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ৮ বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটের দাপুটে জয় নিশ্চিত করে তারা। সিপিএলের ফাইনালের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই অ্যান্টিগা নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখে। রাকিম কর্নওয়াল ৬ বল খেলে ২০ রান করেন, যার মধ্যে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। এরপর এভিন লুইস ৩৮ রানে সাজঘরে ফিরলেও অ্যান্ড্রে জাঙ্গু দলের হাল ধরেন। জাঙ্গু ৩৪ বলে ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন, যেখানে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন হাসান নওয়াজ, যিনি ৩৫ বলে ৪৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। নওয়াজের ছক্কা হাঁকানোর মাধ্যমেই জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে অ্যান্টিগা শিবির এবং মাঠে উপস্থিত কিংবদন্তি স্যার কার্টলি অ্যামব্রোসও দলের সঙ্গে উদযাপনে যোগ দেন।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে জ্যামাইকা শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে এবং ৩০ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায়। সাইম আইয়ুব ও মাজ সাদাকাতের ৮০ রানের জুটি দলকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও সাইম ২৯ রানে আউট হওয়ার পর জ্যামাইকা দ্রুত বেশ কয়েকটি উইকেট হারায়। ১২৭ রানে ৭ উইকেট হারানোর পরও মাজ সাদাকাত একাই লড়াই চালিয়ে যান। তিনি ৫৮ বলে ৮ চার ও ৯ ছক্কায় ১১৪ রানের অসাধারণ এক ইনিংস উপহার দেন। ইনিংসের শেষ বলের আগের বলে আউট হওয়া সাদাকাতের কল্যাণে জ্যামাইকা ১৭০ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায়, যেখানে দলের অন্য ব্যাটারদের মধ্যে মাত্র একজন দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পেরেছিলেন।
অ্যান্টিগার বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন পাকিস্তানের সুফিয়ান মুকিম। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচ করে ৪ উইকেট শিকার করেন এবং দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। এছাড়া পুরো টুর্নামেন্টে ১৩২ রান ও ১১ উইকেট নিয়ে মৌসুমসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন আরেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার শাদাব খান।

















