নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং ব্রাউট হালান্ডের জন্য আসন্ন বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি বেশ আবেগময় হতে চলেছে। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের পাশাপাশি এই প্রথমবার তিনি মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন তার জন্মভূমির। ২৫ বছর আগে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। সে সময় তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড প্রিমিয়ার লিগে লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। পেশাদার ক্যারিয়ারের খাতিরে ইংল্যান্ডে বসবাস করলেও তার বাবা-মা দুজনেই নরওয়েজিয়ান।
বাবার পেশাদার ক্যারিয়ারের সুবাদে ব্রিটিশ অঞ্চলে জন্ম হলেও, হালান্ড কেন নরওয়ের জাতীয় দল বেছে নিলেন, তা নিয়ে অনেক সময় প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে এক বছর আগে হালান্ড বলেছিলেন, তিনি প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার বছর ইংল্যান্ডে কাটিয়েছেন, তবে নরওয়েতেই তার বেশি সময় কেটেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই তিনি নরওয়েকে নিজের দেশ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বাবার ক্যারিয়ারের সুবাদে তিনি ইংল্যান্ডে জন্মেছিলেন, কিন্তু তিনি নরওয়েজিয়ান হিসেবেই গর্বিত। তিনি মন্তব্য করেন, বাবা যদি আরও দীর্ঘ সময় সেখানে খেলতেন, তবে হয়তো তিনি ইংরেজ হতেন, তা তিনি কখনোই নিশ্চিতভাবে বলতে পারবেন না।
উল্লেখ্য, হালান্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গে নিজেও নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। তিনি ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে নরওয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ২৮ বছর পর সেই একই দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপে তার ছেলে হালান্ড এখন নরওয়ের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন। এবারের আসরে চার ম্যাচ খেলে সাত গোল করে তিনি টুর্নামেন্টের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠেছেন। আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে নরওয়ে। ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলার সুবাদে এই ম্যাচে হালান্ডকে তার তিন ক্লাব সতীর্থের মুখোমুখি হতে হবে।
উল্লেখ্য, হালান্ডের বাবা-মাও নর্ডিক। ব্রিটিশ অঞ্চলে তার জন্মের একমাত্র কারণ ছিল তার বাবার পেশাদার ক্যারিয়ার। আলফ-ইঙ্গে কিন্তু নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপেও খেলেছেন। ১৯৩৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপের ৫৬ বছর পর ফেরা দলের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রে বাবা বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ২৮ বছর পর সেই একই দেশে প্রথম ব

















