আগামী আগস্ট মাসের মধ্যেই ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত ১৮ জুলাই শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘চামেলী’ হলে সরকারপ্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ-সংক্রান্ত ওই সভায় এই নতুন সেবাটি প্রবর্তনের লক্ষ্য ও এর আওতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই বিশেষ কার্ডটি চালু করা হচ্ছে। এর আগে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ক্রীড়া কার্ডের মতো উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম আগস্ট মাসে শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রবাসী কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে প্রবাসীদের আর্থিক প্রণোদনা প্রদান এবং ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও ব্যাংকিং সুবিধা সহজতর করাও এই কার্ডের লক্ষ্য।
নতুন এই কার্ডের আওতায় প্রবাসীরা অন্তত ১০টি বিশেষ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান কিছু সুবিধার মধ্যে রয়েছে দেশে ও বিদেশে বিমানবন্দরগুলোতে কমপ্লিমেন্টারি লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধা এবং বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের মাধ্যমে দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত সেবা প্রাপ্তি।
১) দেশে ও বিদেশে কমপ্লিমেন্টারি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধা এবং বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের মাধ্যমে দ্রুত সেবা।

















