সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ বেশ কিছু হাতে লেখা চিরকুট জব্দ করেছে। তবে উদ্ধার হওয়া এসব চিরকুটের হাতের লেখার সঙ্গে মরিয়মের লেখার কোনো মিল নেই বলে দাবি করেছেন তার মা ফিরোজা খানম। সোমবার রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই অভিযোগ করেন।
ফিরোজা খানম জানান, মরিয়মের হাতের লেখা উদ্ধার হওয়া চিঠির চেয়ে অনেক বেশি খারাপ ছিল। তিনি বলেন, চিঠিতে দুই ধরনের হাতের লেখা দেখা যাচ্ছে, যা কোনোভাবেই তার মেয়ের লেখার সঙ্গে মেলে না। তিনি এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ এবং তার মেয়েকে আত্মহত্যার জন্য বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন। একজন মা হিসেবে তিনি দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার দিন সম্পর্কে মরিয়মের মা জানান, এমপি নজরুল ইসলাম অসুস্থ স্বামীকে ফোন করে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসতে বলেছিলেন। ব্যবসায়িক কারণে তিনি নিজে যেতে না পারলেও তার স্বামীকে পাঠান। সেখানে গিয়ে মরিয়মের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তার স্বামী।
উল্লেখ্য, গত রোববার এমপি হোস্টেলের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জব্দ করা এসব চিরকুটে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা লেখা ছিল। এই ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালত আজ গাজী নজরুলকে চার দিন এবং মাকছুদাকে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
















