প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০: ৫৯
সক্রিয় লঘুচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই কমবেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। টানা কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ায় তাপমাত্রা কমেছে এবং জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃষ্টির এই ধারা বুধবার ও বৃহস্পতিবারও অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর আগামী দুদিন বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে রোববার থেকে আবার বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফে, যার পরিমাণ ৮৪ মিলিমিটার। এছাড়া রাজধানী ঢাকায় ২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা আগের কয়েক দিনের তুলনায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেখানে আগের দিন সোমবার কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ মাত্র এক দিনের ব্যবধানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানান, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা উপকূল এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন ঝাড়খন্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে বুধবার ও বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

















