সাজাপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ এর পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা মাঝেমধ্যে ফিরে আসার আওয়াজ দিয়ে লুকায়িত নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণসঞ্চারের চেষ্টা করছেন, তাদের সেই অপচেষ্টার বিষয়টি সরকার অবগত আছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চান এবং বিগত সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও কাস্টোডিয়াল ডেথসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাদের প্রতি দেশের মানুষ কখনো ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করবে না। তিনি অভিযোগ করেন, যারা নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছেন, তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা বা ক্ষমা প্রার্থনার বালাই নেই। বরং তারা দেশের বাইরে থেকে বিভিন্ন আওয়াজ তুলছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
অনুষ্ঠানে পুলিশে একটি বিশেষ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই ইউনিট গঠন করা হবে এবং এর কার্যক্রম হেডকোয়ার্টার থেকে শুরু করে মেট্রো, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিস্তৃত থাকবে। এই ইউনিটে আধুনিক প্রযুক্তির ফরেনসিক ল্যাবসহ প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম থাকবে। জটিল বিষয়গুলো কেন্দ্রীয়ভাবে এবং সাধারণ বিষয়গুলো স্থানীয় পর্যায়ে বিশ্লেষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বীরত্বপূর্ণ কাজ, সেবার অনন্য নজির এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ৯২ জন সদস্যকে এই অনুষ্ঠানে পদক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন এবং সভাপতিত্ব করেন পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল মো. আলী হোসেন ফকির।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চান, যারা এ দেশে ১৪০০ নাগরিককে হত্যা করেছেন এক মাসের মধ্যে; ১৫ বছরের হিসাব নাইবা দিলাম, ৭ হাজারের ওপরে ছিল বিচারবহির্ভুত কিলিং, যেটা পারসিকিউশন হয়েছে, এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স হয়েছে, কাস্টোডিয়াল ডেথ হয়েছে—সেই হিসাব নাইবা দিলাম। যারা এক মাসে ১৪০০ মানুষকে হত্যা করতে পা

















