আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এএনআইয়ের বরাতে জানা যায়, দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ ধারায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে একই সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬/১৭০ ধারায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার কথা রয়েছে। এদিকে সিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, দিপকেকে অজ্ঞাত কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দলের নেতা অজিঙ্কা শিন্ডে এএনআইকে জানান, আট ঘণ্টার বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তারা জানেন না দিপকে কোথায় আছেন। তাকে কোনো আইনজীবী বা দলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না এবং কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছে তা-ও জানানো হয়নি।
গত শুক্রবার নয়াদিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে কর্মসূচি শুরুর আগেই পুলিশ অভিজিৎ দিপকেকে তার বাসা থেকে আটক করে। এক সপ্তাহের মধ্যে এটি সিজেপি নেতার দ্বিতীয় দফার আটকের ঘটনা। একই দিনে যন্তর মন্তরের কাছ থেকে এআইএসএ নেত্রী নেহা বোরাকেও আটক করা হয়। এর আগে ১০ অক্টোবর তাকে আটক করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
এছাড়া সিজেপির আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে পাঁচ দিনের কারা হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ মার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন অভিজিৎ দিপকে। তবে কর্মসূচি শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে পুলিশ তার বাড়িতে নোটিশ পাঠিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। শেষ পর্যন্ত করোলবাগের ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (শারদ পাওয়ার) মুখপাত্র অনীশ গাওয়ান্ডের বাসা থেকে দিপকেকে তুলে নেওয়া হয় এবং পুলিশ কনট প্লেসে জমায়েত হওয়া জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
















