রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম। এ সময় হাতিরঝিলের পানিতে দুর্গন্ধ ও আশপাশের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার হাতিরঝিল লেক এলাকা পরিদর্শনকালে রাজউকের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে হাতিরঝিল এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং লেকের পানিতে দুর্গন্ধ সৃষ্টির কারণ সম্পর্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাজউক চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রমের অংশ। দেশে ফিরেই সকালে হাতিরঝিল এলাকা পরিদর্শনে এসেছি। হাতিরঝিলের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নিয়মিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’
রাজউক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যমে হাতিরঝিলের পানিতে দুর্গন্ধের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে, নির্দিষ্ট একটি এলাকায়, বিশেষ করে হাতিরঝিলের দাবা বোর্ড পার্কসংলগ্ন স্থানে দুর্গন্ধের সমস্যা বেশি। কারওয়ান বাজার, কাঁঠালবাগান ও আশপাশের এলাকার বর্জ্য এ অঞ্চলে এসে জমা হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ ও পরিমাণ কমে যাওয়ায় এসব বর্জ্যের কারণে পানির দূষণ বাড়ছে এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টি হচ্ছে।’
সমস্যা সমাধানে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে রাজউক চেয়ারম্যান জানান, ‘এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি চুন ও ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একজন শিক্ষকের মাধ্যমে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও অবগত রয়েছেন। দুর্গন্ধের বিস্তার রোধে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, হাতিরঝিলের পরিবেশ ও পানির গুণগত মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

















