বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড ৩–২ মেক্সিকো এটাই কি বিশ্বকাপের সেরা ম্যাচ? এই জয়ের ফলে পরবর্তী রাউন্ডে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ নরওয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই জুড বেলিংহামের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ইংল্যান্ড আধিপত্য বিস্তার করে। ৩৬ ও ৩৮ মিনিটে বেলিংহামের দুই গোলে ইংল্যান্ড ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। প্রথমার্ধ শেষে ইংল্যান্ডই এগিয়ে ছিল ২–১ গোলে। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইংল্যান্ড। মেক্সিকানদের চাপের মুখে ৬০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে হ্যারি কেইন ইংল্যান্ডের এগিয়ে থাকার ব্যবধান ৩–১ করেন। তবে ৬৮ মিনিটে কেইনের ভুলেই পেনাল্টি পায় মেক্সিকো, যা থেকে গোল করেন রাউল হিমিনেজ। শেষ আধা ঘণ্টায় মেক্সিকো সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও নিকো ও’রাইলি এবং মার্ক গেহিদের দৃঢ় ডিফেন্স ও গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের ৫টি দুর্দান্ত সেভ ইংল্যান্ডকে রক্ষা করে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মেক্সিকো ৬৬.৮ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল এবং ২০টি শট নিলেও ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ তাদের বারবার বাধা দিয়েছে। এ ম্যাচে মেক্সিকো কর্নার পেয়েছে ১২টি, ইংল্যান্ড ২টি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের দুঃস্মৃতি মুছে আজতেকায় এই জয় ইংল্যান্ডের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড কোচ টুখেল মেক্সিকোর লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করে বলেন, দলের প্রতিটি খেলোয়াড় নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে এবং এই মুহূর্তটি তাদের মনে গেঁথে রাখা উচিত।

















