ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ঢামেক ক্যাম্পাসে এখন সাজ সাজ রব ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে এক মিলনমেলার সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখবেন। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।
শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তারা মনে করেন, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিভিন্ন জাতীয় সংকট, স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যে ভূমিকা রেখেছে, প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের আরও উৎসাহিত করবে।
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিকল্পনাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যার ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যাম্পাসে আসছেন। যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম ও কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে গৌরব ও নতুন আশার বার্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাকিবুল হাসান জানান, শিক্ষার্থীরা নিজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত এবং তারা স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন সমস্যা সরাসরি তার কাছে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন বলে আশা করছেন। উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা প্রদান করে আসছে।

















