যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় নিহত হওয়ার দীর্ঘ চার মাস পর, আজ বৃহস্পতিবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হতে যাচ্ছেন ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক আকস্মিক হামলায় তিনি প্রাণ হারান। তাঁর এই শেষকৃত্যকে কেন্দ্র করে পুরো ইরানজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিরাজ করছে তীব্র উত্তেজনা।
ইরাকের ঐতিহাসিক কারবালা থেকে তাঁর মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এরপর জানাজার আনুষ্ঠানিকতার জন্য মরদেহটি ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তাঁকে তাঁর জন্মস্থান মাশহাদেই সমাহিত করা হচ্ছে। মাশহাদ ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনবহুল শহর, যেখানে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের বসবাস। শিয়া মুসলিমদের কাছে শহরটি অত্যন্ত পবিত্র হিসেবে বিবেচিত।
শিয়াদের বিশ্বাস অনুযায়ী, হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর অন্যতম উত্তরসূরি ইমাম রেজার মাজার এই কমপ্লেক্সেই অবস্থিত। নবম শতকে বিষক্রিয়ায় নিহত ইমাম রেজাকে এখানেই দাফন করা হয়েছিল। খামেনিকে ধর্মীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অংশ হিসেবেই এই মাজার কমপ্লেক্সে তাঁকে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, খামেনির ছেলে ও বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবার জন্মও এই মাশহাদ শহরেই হয়েছিল। এছাড়া ২০২৪ সালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির জন্মস্থানও ছিল এই পবিত্র শহর। রাইসির মৃত্যুর পর তাঁকেও ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সেই সমাহিত করা হয়েছিল। এক সময় রাইসিকে ইরানের পরবর্তী সুপ্রিম লিডার হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
যৌথ সামরিক হামলায় নিহত হওয়ার দীর্ঘ চার মাস পর, পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) চিরনিদ্রায় শায়িত হতে যাচ্ছেন ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এক আকস্মিক যৌথ হামলায় তিনি প্রাণ হারান। তাঁর এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইরানজুড়ে নেমে এসেছে শো
খামেনি ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। মাশহাদ ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনবহুল শহর। এখানে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ বাস করেন। শিয়া মুসলিমরা শহরটিকে পবিত্র হিসেবে মনে করেন। শিয়াদের যে শীর্ষ ১২ নেতা আছে তাদের একজন ইমাম রেজা। তার কবর এই মাশহাদে অবস্থিত। শিয়াদের বিশ্বাস হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর উত্তরসূরিদের একজন ইমাম রেজা।

















