বগুড়ার কাহালুতে বাস্তবায়নাধীন দেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার এগ্রো লিমিটেড’-এর পরিকল্পিত নকশা আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়েছে। গত শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত ‘ত্রয়োদশ এশীয় ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৬’-এর মঞ্চে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নকশা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পের দেড় শতাধিক অংশীদারের হাতে জমির সাফকবলা দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক মিলন মাহমুদ। সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলামের পরিচালনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের অংশীদার ও পর্যটন খাতের উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন।
উন্মোচিত নকশা অনুযায়ী, প্রকল্পটিতে ১০০ কক্ষের একটি এগ্রো রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট, কনভেনশন হল, সুইমিং পুল ও বোটিং সুবিধা রাখা হয়েছে। এছাড়া সমন্বিত কৃষি খামার, ৪০০ গরুর খামার, বটম-ক্লিন পদ্ধতির মাছের খামার, ছাগল ও দুম্বার খামার, ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট এবং একটি জামে মসজিদ ও এতিমখানা থাকবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাস থেকে প্রকল্পের মূল নির্মাণকাজ শুরু হবে।
শরীয়াহভিত্তিক ‘মুশারাকা’ মডেলে পরিচালিত এই প্রকল্পে ইতোমধ্যে ২১টি দেশ ও ৪২টি জেলার এক হাজারের বেশি মানুষ অংশীদার হয়েছেন। প্রকল্পের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, এগ্রো ট্যুরিজম কৃষি খাতের ন্যায্য দামের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে, কারণ এখানে কৃষক শুধু ফসল নয়, অভিজ্ঞতাও বিক্রি করেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি তৈরি হয়েছে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের ৮টি বিভাগে ৮টি ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।

















