মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। তবে চলতি বছর তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, নোবেল কমিটি তাকে পুরস্কার না দেওয়ার জন্য পরিচিত। তিনি বলেন, কমিটির সিদ্ধান্ত কী হবে তা তার জানা নেই, তবে তার মতো মানুষদের পুরস্কার না দেওয়ার একটি সুনাম তাদের রয়েছে।
শুক্রবার চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। গত বছর হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে দাবি করে আসছেন যে তার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত। বুধবার ওভাল অফিসে তিনি বলেন, এখনই সময়। এ সময় তিনি ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর প্রসঙ্গ টেনে আনেন। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতাস্বরূপ মাচাদো গত জানুয়ারিতে তার পাওয়া শান্তি পুরস্কারের পদকটি ট্রাম্পকে দিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, কম্বোডিয়া, ইসরায়েল এবং পাকিস্তানের নেতারা তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন। যদিও এই মনোনয়নের দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ট্রাম্প যেসব সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকা থাকার দাবি করেন, সেগুলোর অনেকগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ভিন্নমত রয়েছে। এর মধ্যে কঙ্গো প্রজাতন্ত্র এবং কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের সংঘাত উল্লেখযোগ্য, যার কয়েকটি অঞ্চলে পুনরায় সংঘাত শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলেও ট্রাম্প এখনো তা সম্পন্ন করতে পারেননি। এছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর চলমান সংঘাতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব পড়েছে। এদিকে, চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদকের নাম রয়েছে।

















