সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির এই নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় থাকা মুজিবুল হকের ২৮৪ শতাংশ জমি এবং তার মালিকানাধীন দুটি জিপ গাড়ি জব্দ করার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে তার ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক পাপন কুমার সাহা এই সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার জন্য আদালতে আবেদন করেছিলেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মুজিবুল হক ৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এসব সম্পদ তিনি নিজের ভোগ-দখলে রেখেছেন, যে কারণে দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার তদন্ত চলাকালীন রেকর্ডপত্র যাচাই করে দেখা গেছে যে, আসামি তার নামীয় এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। মামলা নিষ্পত্তির আগেই এসব সম্পদ হাতবদল হয়ে গেলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ রাখা জরুরি। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি মুজিবুল হকের বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির মামলাটি দায়ের করে দুদক।

















