তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মঙ্গলবার সকালে তিনি গণমাধ্যমগুলোর প্রতি এই সতর্কবার্তা প্রদান করেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, আদালতের আদেশ মেনে চলা প্রতিটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং সরকারের মূল কাজ হলো সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, আদালতের আদেশ না থাকলে বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া সমীচীন হতো না—এটি তার একান্ত ব্যক্তিগত মতামত। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, কেউ যদি আদালতের আদেশের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন, তবে তা চ্যালেঞ্জ করার আইনি পথ খোলা রয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ তা সবাইকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, এর আগেও গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কেউ যদি আগে থেকেই শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে তা সম্প্রচার করেন, তবে তা আদালতের আদেশ অমান্যের শামিল বলে গণ্য হবে।
অন্যদিকে, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রদান ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল মঙ্গলবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানান, এই আয়োজনটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থার এবং এর সঙ্গে নয়াদিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। তিনি আরও দাবি করেন, ওই ফোরামে প্রকাশিত কোনো মতামত ভারত সরকার সমর্থন করে না এবং এটি সম্পূর্ণভাবেই একটি বেসরকারি উদ্যোগ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও দাবি করেন, ওই ফোরামে প্রকাশিত কোনো মতামত ভারত সরকার সমর্থন করে না এবং এটি সম্পূর্ণভাবেই একটি বেসরকারি উদ্যোগ।

















