যুক্তরাষ্ট্র আগামী বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইরানের সকল বিমান সংস্থা কার্যত অচল করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরানের বিমান সংস্থাগুলোকে সেবা প্রদানকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
সোমবার সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট জানান, বিশ্বজুড়ে সব ইরানি এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম ওই দিন থেকে বন্ধ হয়ে যাবে। এই হুঁশিয়ারি কেবল ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিদেশে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য তারা যেসব বিমানবন্দর ব্যবহার করবে, জ্বালানি সরবরাহকারী, টিকিট বিক্রয়কারী সংস্থা এবং অন্যান্য যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের সাহায্য করবে, সেগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের ডলার ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
বেসেন্ট সতর্ক করে বলেন, ‘ইরানের বিমান নামলে তাদের জ্বালানি দেওয়া যাবে না, ল্যান্ডিং বা অবতরণ সেবা দেওয়া যাবে না এবং তাদের টিকিটও বিক্রি করা যাবে না। অন্যথায়, আপনাদের যুক্তরাষ্ট্রের ডলার লেনদেন ব্যবস্থা থেকে বের করে দেওয়া হবে।’
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের অংশ হিসেবে এই নতুন হুমকি দেওয়া হলো। বছরের পর বছর ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিমান চলাচল খাত এমনিতেই মারাত্মক সংকটে রয়েছে। এসব নিষেধাজ্ঞার ফলে এয়ারলাইন্সগুলোর পক্ষে নতুন বিমান কেনা এবং খুচরা যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।
আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে ইরানকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে নেওয়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞার আওতায় জ্বালানি, নৌপরিবহন, প্রযুক্তি, স্বর্ণ এবং ডিজিটাল সম্পদসহ বিভিন্ন খাতে ইরানের সাথে লেনদেনকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে শাস্তির মুখোমুখি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
আগামী বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের নির্ধারিত বৈঠকের আগে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপের কথা জানালেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী। ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক সহযোগী ও কূটনৈতিক মিত্র হিসেবে পরিচিত বেইজিং। ফলে তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে চীনের সহযোগিতা মার্কিনিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বেসেন্ট জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়ায় চীনের কর্মকর্তারা ‘পুরোপুরি যুক্ত’ রয়েছেন এবং ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অনুসরণের বিষয়ে পিপলস ব্যাংক অব চায়নার গভর্নর প্যান গংশেংসহ চীনের শীর্ষ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক আলোচনা চলছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সিএনবিসি-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) থেকে বিশ্বজুড়ে সব ইরানি এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে।’ এই হুঁশিয়ারির নিশানা কেবল ইরানের বিমান সংস্থাগুলোই নয়; বরং বিদেশে ফ্লাইট পরিচালনার তারা যেসব বিমানবন্দর ব্যবহার করবে, জ্বালানি সরবরাহকারী, টিকিট বিক্রয়ক

















