প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ৫৮। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করার মার্কিন প্রচেষ্টার কঠোর জবাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। গত ৩০ আগস্ট সিরিক দ্বীপে মার্কিন হামলার ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি জানান, ওই হামলার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই ইরান প্রথম দফায় পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ করে। ইরানি বার্তা সংস্থা ইরনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পাল্টা হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত চারটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
জেনারেল আকরামিনিয়া জানান, এই অভিযানে ইরানি সেনাবাহিনী ফাতেহ সারফেস-টু-সারফেস ক্ষেপণাস্ত্র এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নতুন প্রযুক্তিসম্পন্ন আরাশ-২ যুদ্ধ ড্রোন ব্যবহার করেছে। তিনি দাবি করেন, এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কারণে শত্রুপক্ষের পক্ষে আক্রমণ প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে এবং অস্ত্রগুলো সহজেই নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়। ইরান নিয়মিত তাদের সামরিক সরঞ্জাম আধুনিকায়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ইরানি সেনাবাহিনী বর্তমানে তাদের সামরিক অভিযানে অসম যুদ্ধকৌশল ও সমন্বিত পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যা থেকে তারা ইতিবাচক ফলাফল পাচ্ছে বলে জানান আকরামিনিয়া। ১২ দিন ও ৪০ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সেনাবাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করছে।
ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন চলাচলের পথ অধিকৃত ভূখণ্ডের দিকে সহজতর হওয়ায় ইসরাইলের যেকোনো আগ্রাসনের জবাব এখন থেকে আরও দ্রুত, সহজে এবং কঠোরভাবে দেওয়া হবে।

















