মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ হাজির হওয়ার পর সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী আদালত কক্ষেই নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঘটা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শুনানির সময় লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী তার পক্ষে বক্তব্য রাখার অনুমতি চাইলে ট্রাইব্যুনাল তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে কাঠগড়ায় থাকা মাইক্রোফোন ব্যবহার করে নিজের বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন লতিফ সিদ্দিকী। বিচারকরা তাকে থামিয়ে দিলে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, হায়রে হায় হায়। এই যদি হয় আদালত, আমি কোথায় যাই? পরবর্তীতে পুলিশ সদস্যরা তাকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বলতে চাচ্ছিলাম যে আমাকে ফাঁসি দিয়ে দেন।
এদিকে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই কাদের সিদ্দিকী সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, শাপলা চত্বরের ওই ঘটনায় তার ভাই সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির আদালতে নিজের কথা বলার সুযোগ থাকা উচিত। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন যে, ট্রাইব্যুনালে তার ভাইয়ের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে।

















