সেন্ট জেমস পার্কে গত রবিবার প্রিমিয়ার লিগের এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছে লিভারপুল। ম্যাচ শেষ হতে যখন মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি, তখন হারের শঙ্কায় ছিল ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। তবে হাল না ছেড়ে শেষ মুহূর্তে লিভারপুল একটি আক্রমণ থেকে পেনাল্টি আদায় করে নেয়। হাঙ্গেরিয়ান ফরোয়ার্ড দমিনিক সোবোসলাই সেই স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে হার থেকে রক্ষা করেন এবং এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে সাহায্য করেন।
ম্যাচের শুরুতেই স্বাগতিক নিউক্যাসল লিভারপুলকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। এর মাঝেই ২৬তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে তারা। পঞ্চম মিনিটে লিভারপুলের একটি আক্রমণ রুখে দিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে নিউক্যাসল। মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের রক্ষণচেরা পাস দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ক্ষিপ্রতায় ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে গোল করেন এন্টনি এলাঙ্গা। পাল্টা আক্রমণে ডান দিক থেকে সতীর্থের দারুণ পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসে প্লেসিং শটে জালে জড়ান ইংলিশ উইঙ্গার ট্যাভার্নার। ৮৪তম মিনিটে অনেকটা একইরকম সুযোগ পেয়ে আর ব্যর্থ হননি গেয়ি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের দশম মিনিটে ডাচ ফরোয়ার্ড কোডি গাকপো ডি-বক্সের বেশ বাইরে থেকে জোরালো নিচু শটে সমতা ফেরান।
লিভারপুলের সেই স্বস্তি অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দুই মিনিট পরেই অনেকটা প্রথম গোলের আদলে স্বাগতিকরা ফের জালের দেখা পায়। বদলি হিসেবে নামার মাত্র এক মিনিটের মাথায় জো উইলক দলকে পুনরায় এগিয়ে নেন। ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখেছিল নিউক্যাসল, কিন্তু শেষ বাঁশির আগে পেনাল্টি থেকে সোবোসলাইয়ের গোল ম্যাচে সমতা ফেরায়।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচটিতে ম্যানসিটি ২-১ গোলে হারায় বোর্নমাউথকে।ঘরের মাঠে চমৎকার এক গোলে শুরুতেই লিভারপুলকে স্তব্ধ করে দেয় নিউক্যাসল।
প্রাপ্ত পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে পরাজয়ের হাত থেকে রক্ষা করেন হাঙ্গেরিয়ান ফরোয়ার্ড দমিনিক সোবোসলাইয়।অপর ম্যাচে ২-১ গোলে জয়ের দেখা পায় ম্যানচেস্টার সিটি।

















