আগস্ট মাসের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপের তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপর অক্টোবর মাস থেকে ধাপে ধাপে ভোটগ্রহণের কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
নির্বাচন কমিশনার জানান, যেসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি নেই এবং আইনি মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানকে প্রথম ধাপের নির্বাচনে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন একই সঙ্গে আয়োজন করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
প্রবাসী ভোটারদের বিষয়ে তিনি জানান, আপাতত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের সুযোগ থাকছে না। প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি; তবে আদালতের নির্দেশনা ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আইন সংশোধনের কারণে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনেই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতার আলোকে অস্পষ্টতা দূর করতে কিছু পর্যবেক্ষণসহ আইন সংশোধনের প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। সংশোধিত আইন কার্যকর হলে সে অনুযায়ী নির্বাচন হবে, নতুবা বর্তমান আইনেই নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি পর্যালোচনার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি অনুমোদনের জন্য দ্রুত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতা রোধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হবে এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত আইনি অস্পষ্টতাও দূর করবে কমিশন।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

















