বোস্টন স্টেডিয়ামে এমবাপ্পের শুরুটা ছিল নাটকীয়। ম্যাচের শুরুর দিকে মরক্কোর মাজরাউয়ি তাকে ফাউল করলে পেনাল্টির সুযোগ পায় ফ্রান্স। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি এমবাপ্পে; তার দুর্বল শটটি অনায়াসেই রুখে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। তবে পেনাল্টি মিস করলেও দমে যাওয়ার পাত্র নন এই তারকা। ম্যাচের ৬০ মিনিট পর্যন্ত লড়াইয়ের পর অবশেষে এমবাপ্পের পা থেকেই আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। তার দর্শনীয় শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে।
এর মাত্র ছয় মিনিট পরেই উসমান দেম্বেলে আরও একটি গোল করে মরক্কোর জয়ের সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ করে দেন। দেম্বেলের ওই গোলটির নেপথ্যেও কারিগর ছিলেন এমবাপ্পেই; তার দুর্দান্ত পাস থেকেই দেম্বেলে বল জালে জড়ান। কাতার বিশ্বকাপের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে এই ম্যাচেও ফ্রান্সের কাছে হার মানতে হলো মরক্কোকে। এর আগে কাতার বিশ্বকাপে ফরাসিদের কাছেই ২-০ গোলে হেরেছিল তারা। এবারও ইতিহাস বদলালো না, বরং মরক্কানদের স্বপ্ন ফিকে হয়ে গেল ফরাসিদের নীলে।
ম্যাচের আগে এমবাপ্পে ও হাকিমির বন্ধুত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশ চাঞ্চল্য ছিল, তবে মাঠে এমবাপ্পে তার পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছেন। পুরো ম্যাচে তিনি তিনটি বড় সুযোগ তৈরি করেন, যার মধ্যে একটি গোল, একটি পেনাল্টি মিস এবং একটি অ্যাসিস্ট। বিশ্বকাপে নিজের গোল সংখ্যা ৮-এ নিয়ে মেসির সঙ্গে সমান তালে এগিয়ে চলেছেন এই গতিশীল ফরোয়ার্ড। তার কাউন্টার-অ্যাটাকিং গতি প্রতিপক্ষের জন্য সবসময়ই বড় হুমকি। ফুটবল ভক্তরা এখন অপেক্ষায় আছেন, কাতারের মতো এবারও মেসি ও এমবাপ্পে একে অপরের মুখোমুখি হন কি না। খেলার মাঠে মরক্কোর ছয়জন ফুটবলারের জন্ম ফ্রান্সে হওয়া সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ফরাসিদের আধিপত্যই বজায় থাকল এই ম্যাচে।

















