বিশ্ব

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মার্কিন রণতরি, হাজারো সেনা: যুদ্ধ কি তীব্র হচ্ছে?

প্রতিবেদক
ধীরগতির বোলিংয়ে জরিমানার কবলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ধীরগতির বোলিংয়ে জরিমানার কবলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনায় সালমান খানের নিরাপত্তা জোরদার টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনায় সালমান খানের নিরাপত্তা জোরদার ইয়েমেনে সরকারি শিবিরে হুতিদের হামলা, নিহত ৫৩ ইয়েমেনে সরকারি শিবিরে হুতিদের হামলা, নিহত ৫৩ অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান: পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান: পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে সৌদি আরবের কাছে ঢাকার প্রশ্ন দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে সৌদি আরবের কাছে ঢাকার প্রশ্ন নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ৯ জনের প্রাণহানি নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ৯ জনের প্রাণহানি অর্থপাচার মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়াল গ্রেপ্তার অর্থপাচার মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়াল গ্রেপ্তার হুতি হামলায় ঢাকা-সৌদি রুটে ১২৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৯ হাজার যাত্রী হুতি হামলায় ঢাকা-সৌদি রুটে ১২৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৯ হাজার যাত্রী চীনে পুতিন-ট্রাম্প-শি বৈঠকের সম্ভাবনা, ইউক্রেনের আপত্তি চীনে পুতিন-ট্রাম্প-শি বৈঠকের সম্ভাবনা, ইউক্রেনের আপত্তি ইরান সফরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভ, আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইরান সফরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভ, আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা
সব খবর

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের কাছাকাছি জলসীমায় তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আরও কয়েক হাজার মার্কিন সেনা এ অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। সংঘাত যখন অষ্টম মাসে পড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে এই সেনা মোতায়েন করা হলো। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা আল–জাজিরাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌবাহিনীর অন্যান্য ইউনিটে আরও ৯ থেকে ১০ হাজার মার্কিন সেনা যুক্ত হতে পারেন। এর মধ্যে বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য জাহাজে থাকা নাবিক ও মেরিন সেনারাও রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ওই কর্মকর্তা আল–জাজিরাকে জানিয়েছেন, ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ গত রোববার ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগোর ঘাঁটি ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। এর এক দিন পর মার্কিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটও (এমইইউ) রওনা হয়েছে, যাতে ২ হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের কাছাকাছি তিনটি বিমানবাহী রণতরি ও দুটি উভচর অবতরণকারী দল অবস্থান করবে। তিনি আরও জানান, এভাবে বিপুল সামরিক শক্তি এক জায়গায় জড়ো হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তে আরও বেশি বিকল্প থাকবে। ওয়াশিংটন থেকে আল–জাজিরার প্রতিবেদক তানিয়া নুরি জানান, নতুন এই মোতায়েনে এফ–৩৫ যুদ্ধবিমানও রয়েছে। ফলে এ অঞ্চলে আগে থেকে অবস্থান করা প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে আরও সেনা যুক্ত হবেন। পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের সূত্রের বরাতে নুরি বলেন, কূটনৈতিক উদ্যোগ যে পথেই এগোক না কেন, ট্রাম্পের জন্য সামরিক পদক্ষেপের সুযোগ ‘টেবিলে’ রাখতেই এই যুদ্ধজাহাজ ও সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হলেও বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য থেকে কোনো সামরিক সরঞ্জাম বা বাহিনী প্রত্যাহারের পরিকল্পনা পেন্টাগনের নেই। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ট্রাম্পের নতুন করে হামলার নির্দেশ বাস্তবায়নে মার্কিন বাহিনী ‘প্রস্তুত’ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্বাধীন ও নির্দলীয় গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের (সিএফআর) তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১৯টি স্থানে স্থায়ী ও অস্থায়ী সামরিক ঘাঁটির বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে ওয়াশিংটনের। এর মধ্যে আটটি স্থায়ী ঘাঁটি রয়েছে বাহরাইন, মিসর, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সেনা মোতায়েন করা হয় ১৯৫৮ সালের জুলাইয়ে লেবানন সংকটের সময় বৈরুতে।

চলতি বছরের শুরু থেকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে চলেছেন ট্রাম্প। শুরুতে তিনি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরিসহ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ আরব সাগরে পাঠান। ওপেন সোর্স গোয়েন্দা বিশ্লেষক ও সামরিক উড়োজাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ১২০টির বেশি উড়োজাহাজ মোতায়েন করেছে। ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহিনীর এটিই সবচেয়ে বড় আকারের মোতায়েন। মোতায়েন করা উড়োজাহাজের মধ্যে রয়েছে ই–৩ সেন্ট্রি এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (অ্যাওয়াকস), এফ–৩৫ স্টিলথ স্ট্রাইক ফাইটার এবং এফ–২২ যুদ্ধবিমান। পাশাপাশি রয়েছে এফ–১৫ ও এফ–১৬ যুদ্ধবিমান। সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটি নিয়মিত সেনা বা সরঞ্জাম বদলের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির ইঙ্গিত।

গত মার্চে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আরও সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেয় পেন্টাগন। এ অতিরিক্ত সেনারা তিনটি পৃথক বাহিনীর অংশ। প্রথমটি ছিল ট্রিপলি অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ, যার মূল জাহাজ ছিল আমেরিকা শ্রেণির অ্যাসল্ট শিপ ইউএসএস ট্রিপলি এবং এর সঙ্গে ছিল ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট (এমইইউ)। দ্বিতীয়টি ছিল বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ, যার মূল জাহাজ ছিল ওয়াস্প শ্রেণির অ্যাসল্ট শিপ ইউএসএস বক্সার এবং এর সঙ্গে ছিল ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট (এমইইউ)। এই দুটি মেরিন বাহিনী মিলে এ অঞ্চলে আরও ৪ হাজার ৫০০ মেরিন ও নাবিক যুক্ত করেছে। তৃতীয়টি ছিল নর্থ ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগে অবস্থানরত ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্সের প্রায় ২ হাজার সেনার একটি দল, যারা প্যারাস্যুটের মাধ্যমে হামলা পরিচালনায় বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। সব মিলিয়ে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে প্রায় ৭ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

নতুন করে সেনা মোতায়েনের অর্থ যুদ্ধ আরও তীব্র হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে গত বৃহস্পতিবার টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে বোমা হামলা আরও বৃদ্ধি হতে পারে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আপনাকে সেটা বলতে পারি না। কারণ, আপনি জানতে চাইছেন, কোথায় বোমা হামলা চালাব?’ কয়েকজন বিশ্লেষক মনে করেন, এ অঞ্চলে আরও সেনা পাঠানো ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ওয়াশিংটনের একটি কৌশল হতে পারে।

কূটনৈতিক উদ্যোগ এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি ছাড়াই মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ শান্তি আলোচনা চলমান রয়েছে। গত মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কাতারের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়। তবে সেখানে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া নিয়ে মতপার্থক্য কাটেনি। ওই আলোচনায় কাতারের মাধ্যমে ইরান সাত দিনের একটি পরিকল্পনা দেয়। এতে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং পারমাণবিক আলোচনা শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ বন্ধ, নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং লেবানন ও ইয়েমেনকে অন্তর্ভুক্ত করে আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতির দাবি জানায় ইরান। ট্রাম্প প্রশাসন ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, কোনো শর্তে সম্মত হওয়ার আগে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো আরও কিছু বিষয় আলোচনায় আনতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। কারণ, এতে এমন কিছু ‘বিষয়’ ছিল, যেগুলো তিনি ‘এক বছর আগেও অনুমোদন করতেন না’ এবং ‘এখনো করবেন না’। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়ালৎস এনবিসিকে বলেছেন, ইরানের জব্দ অর্থ ছাড় এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের দাবি মেনে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘এসব শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নয়…এগুলো বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা।’ তিনি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাতটি প্রস্তাবের কথাও উল্লেখ করেন। জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এনবিসিকে বলেন, যুদ্ধ আবার শুরু করতে তেহরান ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘আমরা যুদ্ধের বয়ান বিক্রি করতে নিউইয়র্কে আসিনি। আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এসেছি।’

সামরিক শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপও বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। এ সপ্তাহে ইরানের রেল ও গাড়ি নির্মাণ খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, নতুন এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো তেহরানের অবশিষ্ট রাজস্বের উৎস দুর্বল করা। গত মাসেও ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা অন্যান্য দেশের ওপরও এসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে টেক্সাসের ডেন্টনে পিটারবিল্ট মোটরসের একটি কারখানায় বক্তৃতাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেন, বর্তমান সংঘাত ‘খুব শিগগির’ শেষ হবে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তেহরানকে গুরুতর পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলেও হুমকি দেন তিনি। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরান হয়তো ‘সঠিক ও বুদ্ধিমান কোনো পদক্ষেপ নেবে, নয়তো খুব বেশি দিন টিকে থাকবে না।’ কোনো সমঝোতা হলে ইরান তা মেনে চলবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি যখন এই কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করি, আপনারা সেটি মেনে চলবেন। কিন্তু তাদের সঙ্গে চুক্তি করলে খুব সম্ভবত তারা সেটি মেনে চলবে না।’

২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছিলেন।.কী কী সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছেযুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা আল–জাজিরাকে জানিয়েছেন, ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান দিয়েগোর ঘাঁটি ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে।

ওই সময় লেবাননে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মেরিন ও সেনা মোতায়েন করেছিল দেশটি।২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছিলেন।

ধীরগতির বোলিংয়ে জরিমানার কবলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ধীরগতির বোলিংয়ে জরিমানার কবলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনায় সালমান খানের নিরাপত্তা জোরদার টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনায় সালমান খানের নিরাপত্তা জোরদার ইয়েমেনে সরকারি শিবিরে হুতিদের হামলা, নিহত ৫৩ ইয়েমেনে সরকারি শিবিরে হুতিদের হামলা, নিহত ৫৩ অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান: পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান: পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে সৌদি আরবের কাছে ঢাকার প্রশ্ন দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে সৌদি আরবের কাছে ঢাকার প্রশ্ন নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ৯ জনের প্রাণহানি নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ৯ জনের প্রাণহানি অর্থপাচার মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়াল গ্রেপ্তার অর্থপাচার মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়াল গ্রেপ্তার হুতি হামলায় ঢাকা-সৌদি রুটে ১২৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৯ হাজার যাত্রী হুতি হামলায় ঢাকা-সৌদি রুটে ১২৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৯ হাজার যাত্রী চীনে পুতিন-ট্রাম্প-শি বৈঠকের সম্ভাবনা, ইউক্রেনের আপত্তি চীনে পুতিন-ট্রাম্প-শি বৈঠকের সম্ভাবনা, ইউক্রেনের আপত্তি ইরান সফরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভ, আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইরান সফরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভ, আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা
সব খবর