বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ক্রোয়েশিয়া একটি সমতাসূচক গোল করেছিল। তবে ভিএআর প্রযুক্তিতে যাচাই-বাছাইয়ের পর সেই গোলটি বাতিল ঘোষণা করা হয়। ইনজুরি সময়ের ওই মুহূর্তে পর্তুগাল ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল। দলের হয়ে গোল করার লক্ষ্যে ক্রোয়েশিয়ার উইঙ্গার ইভান পেরিসিচ বাম পাশ থেকে বল ক্রস করেন। বক্সের ভেতর বেশ কয়েকবার বলের হাতবদলের পর মারিও পাসালিচ বলটি বাড়িয়ে দেন ডিফেন্ডার ইয়োসকো গেভার্দিওলের দিকে, যিনি দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান।
গোলটি হওয়ার পরপরই ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড়রা উৎসবে মেতে ওঠেন। কিন্তু তাদের সেই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। রেফারি এসপেন এসকাস মাঠেই ভিডিও রিভিউ দেখার সিদ্ধান্ত নেন। স্নিকো প্রযুক্তি ব্যবহার করে রেফারি দেখতে পান, পেরিসিচের ক্রসটি বাতাসে থাকা অবস্থায় ক্রোয়েশিয়ার ফরোয়ার্ড ইগর মাতানোভিচ সামান্য স্পর্শ করেছিলেন। এরপর সেই বলটি পর্তুগালের সেন্টার-ব্যাক রেনাতো ভেইগারের গায়ে লেগে সামনে এগিয়ে যায়।
ভিডিও পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, মাতানোভিচ যখন বলে স্পর্শ করেছিলেন, তখন পাসালিচ অফসাইড অবস্থানে ছিলেন। এই কারিগরি কারণে রেফারি পুরো আক্রমণটিকে অবৈধ বলে গণ্য করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে গোলটি বাতিল করে দেন। রেফারির এই সিদ্ধান্তে ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড় ও সমর্থকরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। গোল বাতিলের পর ক্রোয়েশিয়া আর কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি এবং ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল। এই জয়ের মাধ্যমে পর্তুগাল টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোতে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে।

















