ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি দুই দফায় পুলিশের অর্ধশতাধিক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ধারাবাহিকতায় এবার এই প্রশাসনিক রদবদল ঘটল।
বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া যুগ্ম সচিবরা হলেন মাজেদুর রহমান খান, আবুল ফজল মীর, আসলাম হোসেন, মঈনউল ইসলাম, মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, মো. শাহরিয়ার, কাজী আবু তাহের, এ জেড এম নুরুল হক, মো. মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, অঞ্জন চন্দ্র পাল, এ কে এম মামুনুর রশিদ, কামাল হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, মো. জসিম উদ্দিন, সরোজ কুমার নাথ, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, এস এম অজিউর রহমান, মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক, মতিউল ইসলাম চৌধুরী, নাজিয়া শিরিন, সুলতানা পারিভীন, আনার কলি মাহবুব, মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, সৈয়দা ফারহানা কাইনাইন, সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, মাহমুদুল কবীর মুরাদ, আলী আকবর, এস এম আব্দুল কাদের, এস এম ফেরদৌস ও গোপাল চন্দ্র দাশ।
মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী এসব কর্মকর্তার চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা প্রয়োজন বলে সরকার বিবেচনা করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী, অবসরে পাঠানো এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সব সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন। উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিজীবীদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হলে সরকার চাইলে জনস্বার্থে তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে পারে।
এঁদের প্রায় সবাই ২০১৮ সালে বিতর্কিত নির্বাচনের সময়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন।.আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

















