অপরাধ

সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে পরিবারের আবেদন

প্রতিবেদক
সব খবর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে তাদের পরিবারের সদস্যরা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন জমা দিয়েছেন। রোববার সকালে এই আবেদন করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের নিজ বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রাথমিকভাবে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। পরবর্তীতে তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি রহস্য উদঘাটন করতে ব্যর্থ হলে, হাই কোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র্যাবের কাছে যায়।

দীর্ঘ সময় র্যাবের তদন্তেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায়, ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত র্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে দেয়। একইসঙ্গে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেয় এবং ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

পরবর্তীতে, ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে। বর্তমানে এই টাস্কফোর্সের অধীনেই মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

তবে, নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ায় টাস্কফোর্সকে বেশ কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল হাই কোর্ট আরও ছয় মাসের জন্য তদন্তের সময় মঞ্জুর করে।

এই চাঞ্চল্যকর মামলার এজাহারে অভিযুক্ত আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনি দম্পতির বাসার দুই নিরাপত্তা রক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তানভীর রহমান খান।

আজ রোববার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়।এর আগে গত ২৭ আগস্ট সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯তমবারের মতো পেছায়।

সর্বশেষ ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল হাই কোর্ট আরও ছয় মাস সময় দেয়।প্রসঙ্গত, বহুল আলোচিত এ মামলার আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তানভীর রহমান খান।

সব খবর