দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষার পাশাপাশি আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে। তিনি এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন, যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সত্যিকার অর্থেই জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।
শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ বছরের সংলাপের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ফ্র্যাগমেন্টস, ফ্রন্টিয়ার্স, ফিউচার্স: নেভিগেটিং পাওয়ার, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন আ ওয়ার্ল্ড রিরিটেন’, যার বাংলা ভাবার্থ হলো ‘পুনর্লিখিত এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার নতুন পথচলা’।
তারেক রহমান আরও জানান, জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনার অগ্রাধিকার তালিকার মধ্যে রয়েছে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা, নীতিমালার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার সাধন। সরকার এখন প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের পর্যায়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জনগণের কাছে সরকারি সেবা সহজলভ্য করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষক কার্ড’ ও ‘হেলথ কার্ড’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। ভবিষ্যতে ‘ইউনিভার্সেল কার্ড’-এর মাধ্যমে এক ছাতার নিচে সমন্বিত সেবা দেওয়ার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।
উল্লেখ্য, সিজিএস আয়োজিত এই সংলাপে ১০০টির বেশি দেশের প্রায় দেড় হাজার প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে প্রায় ২০০ জন বক্তা অংশ নিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ, মালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুসা মারা এবং মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সরকারের ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে— জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা, নীতিমালার ধারাবাহিকতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। সরকার এখন প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

















