দেশের সকল খামারিকে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি জানান, খামারিরা এই কার্ডের আওতায় যুক্ত হলে সরকারি সব ধরনের সেবা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা আরও দ্রুত এবং কার্যকরভাবে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে হাঁস-মুরগির খামার আধুনিকায়নের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং খামারভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে বর্তমান সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, হাঁস প্রজনন খামারের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নানামুখী পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে খামারের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন সহজ হবে। তরুণ জনগোষ্ঠীকে খামারভিত্তিক উদ্যোগে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে আমরা হাঁস-মুরগির উৎপাদন বাড়াতে চাই। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত এবং দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের উপপরিচালক মো. রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী খামার চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেন এবং পরবর্তীতে খালিশপুর ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কসংলগ্ন ঝিলপুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরিদর্শন সফরের অংশ হিসেবে বিকেলে তিনি রূপসা উপজেলার জাবুসা এলাকায় অবস্থিত ‘টোটাল সি ফুড প্রসেসিং ফ্যাক্টরি’ও ঘুরে দেখেন।
একই সঙ্গে হাঁস-মুরগির খামার আধুনিকায়নের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং খামারভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে খুলনার দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী জানান, হা

















