দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু করার জন্য চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই অনুমোদনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করল প্রকল্পটি। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা) এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বায়রা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান।
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থা আইএইএ’র গাইডলাইন অনুসরণ করে রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের ‘বি ওয়ান’ পর্যায়ের কার্যক্রম মোটামুটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের সবশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও নিরসন হয়েছে। এখন প্রকল্পটি ‘বি টু’ পর্যায়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য পারমাণবিক চুল্লিকে প্রস্তুত করা হবে।
এই পর্যায়ের পরেই শুরু হবে ক্রিটিক্যালিটি বা চেইন রিঅ্যাকশন, যা পারমাণবিক বিভাজনের মাধ্যমে চুল্লিতে স্থায়ী ও নিরাপদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে সফলভাবে এগিয়ে ৩০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতায় পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা) এ অনুমোদন দেয়। বায়রা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

















