মঙ্গলবার প্যারিসের পার্ক দে প্রিন্সেসে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়নস লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচে বার্সেলোনাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দারুণ জয় তুলে নিয়েছে লুইস এনরিকের শিষ্যরা প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। এই পরাজয়ের ফলে চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচ জয়ের পর প্রথম হারের স্বাদ পেল হান্সি ফ্লিকের দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই পিএসজি আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। বার্সেলোনার গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া খিচা কাভারাস্কেইয়ার একটি শক্তিশালী শট রুখে দিলেও বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধের মাঝপথে দুই দলই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হারায় চোটের কারণে; পিএসজির উসমান দেম্বেলে এবং বার্সেলোনার দানি ওলমো মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তাদের বদলি হিসেবে নামা ফেরান তোরেস ও ফেরমিন লোপেজ অবশ্য গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন।
ম্যাচের ৩৮ মিনিটে লামিন ইয়ামালের পাস মাঝপথে আটকে বলের দখল নেয় পিএসজি। এরপর বক্সের বাইরে থেকে নিচু শটে জাল খুঁজে নিয়ে দলকে এগিয়ে দেন দেজিরে দুয়ে। বিরতির পর ৫০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন আশরাফ হাকিমি, কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও তিনি গোল করতে ব্যর্থ হন। এরপর তরুণ জাভি এসপার্ত ফেরমিন লোপেজের সহায়তায় গোল করে বার্সেলোনাকে সমতায় ফেরান, যা ছিল চ্যাম্পিয়নস লিগে তাঁর প্রথম গোল।
ম্যাচের ৭০ মিনিটে ফেরান তোরেসের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে বার্সেলোনা গোলবঞ্চিত হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই কর্নার থেকে দুর্দান্ত হেডে পিএসজিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন লুকাস এরনান্দেস। ৭৯ মিনিটে লামিন ইয়ামাল দারুণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে আবারও সমতা ফেরান। তবে এই সমতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ভিতিনিয়া পিএসজিকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। শেষ দিকে আশরাফ হাকিমির ক্রস থেকে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে ফাবিয়ান রুইস গোল করলে ৪-২ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় পিএসজির। দুইবার সমতায় ফিরেও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি কাতালানরা।
তবে হার মানেনি বার্সেলোনা। ৭৯ মিনিটে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে লামিন ইয়ামাল বুটের বাইরের অংশ দিয়ে দারুণভাবে বল জালে পাঠান। তাতে আবারও ২-২ সমতায় ফেরে কাতালানরা।

















