জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন যে, পুলিশ দিয়ে নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয় এবং এ কারণে তারা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন। তিনি নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) এ বিষয়ে অবহিত করেছেন এবং বলেছেন যে বর্তমান নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক চাপের কাছে অসহায়।
রোববার (২৫ অক্টোবর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল। এই বৈঠকের পর অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার জানান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে সরেজমিনে পাওয়া তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট নয়টি অভিযোগ তারা সিইসির কাছে দাখিল করেছেন। একই সঙ্গে তিনটি দাবিও উত্থাপন করা হয়েছে এবং অভিযোগের স্বপক্ষে সব ধরনের প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানালেও নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে এ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন নেই। তিনি মন্তব্য করেন যে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালনে রাজনৈতিক চাপের কারণে অসহায় বোধ করছে।
তবে, গোলাম পরওয়ার জোর দিয়ে বলেন যে, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন করার জন্য এখনো মাঠে সক্রিয় আছে এবং তারা নির্বাচন করতে ইচ্ছুক। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে, তারা বিষয়টি আলোচনা করে ব্যবস্থা নেবে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন যে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না এবং তাদের কোনো অভিযোগই প্রশাসন আমলে নিচ্ছে না।

















