চলতি বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়ে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা চরম আকার ধারণ করেছে। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোনো গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার হয়ে দুটি অ্যাসিস্ট করে মেসি নিজের অবস্থান বেশ মজবুত করেছেন। বর্তমানে মেসি ও ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে উভয়েরই গোলসংখ্যা সমান ৮টি করে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের আগে এই পরিসংখ্যান ঘিরে ফুটবল বিশ্বে উত্তেজনা বাড়ছে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, যদি একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হয়, তবে অ্যাসিস্টের সংখ্যা বিবেচনায় নেওয়া হয়। এই সূচকে মেসি বর্তমানে এমবাপ্পের চেয়ে এগিয়ে আছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা দুটি অ্যাসিস্ট নিয়ে মেসির মোট অ্যাসিস্ট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪টিতে, যেখানে এমবাপ্পের অ্যাসিস্টের সংখ্যা ৩টি। আগামী ১৯ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে মেসির আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে এমবাপ্পের ফ্রান্স।
এই লড়াইয়ে নরওয়ের আর্লিং হালান্ডও আলোচনায় ছিলেন, যার গোলসংখ্যা ৭টি। তবে নরওয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ায় তার গোল বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামের গোলসংখ্যা ৬টি করে এবং তাদের অ্যাসিস্টের সংখ্যা ১টি। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে তারা দুর্দান্ত কিছু করে সমীকরণ বদলানোর চেষ্টা করতে পারেন, যদিও মেসি ও এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে যাওয়া তাদের জন্য একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে।

















