কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় সরকারি জিআরের (GR) চাল বিতরণে পরিমাপের জন্য বালতি ব্যবহার করার একটি ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে স্থানীয় জনগণের মাঝে স্বচ্ছতা ও সঠিক ওজন নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত মেঘনা উপজেলার এই ঘটনাটির খবর ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাত ০০:৩৩ মিনিটে (০০ টা ৩৩ মিনিটে) প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দরিদ্র মানুষের মাঝে সরকারি জিআরের চাল বিতরণের সময় ডিজিটাল বা সাধারণ দাড়ি-পাল্লার পরিবর্তে প্লাস্টিকের বালতি ব্যবহার করে তা মেপে দেওয়া হচ্ছিল। এমন ১টি বিতর্কিত পদ্ধতিতে চাল বিতরণের কারণে প্রকৃত ওজনের সঠিকতা নিয়ে তীব্র সংশয় প্রকাশ করেছেন সুবিধাভোগীরা। স্থানীয় অন্তত ৩টি গ্রামের মানুষ এই পরিমাপ ব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করেছেন এবং এর পেছনে বড় ধরণের অসচ্ছতা রয়েছে বলে দাবি তুলেছেন।
ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের একাংশ আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, বালতির মাধ্যমে চাল মেপে দেওয়ায় প্রতি মাপে প্রায় ২১১ গ্রাম বা তার চেয়েও বেশি চাল কম দেওয়া হতে পারে, যা সামগ্রিক বিতরণে বড় ধরনের অসঙ্গতি তৈরি করে। এই অনিয়মের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও পরিমাপের সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য ৪ থেকে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। যথাযথ উপায়ে সঠিক ওজন নিশ্চিত করে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বণ্টন করার জোর দাবি উঠেছে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে।

















