শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। এদিন বিকেল ৫টা ১ মিনিটে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা এবং অটোনমিক নিউরোপ্যাথিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন তিনি। এসব অসুস্থতার কারণে সাময়িকভাবে অচেতন হয়ে পড়ার মতো ঘটনা ঘটে এবং হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারিও হয়েছে তার। শারীরিক সক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়ায় তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
এদিকে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে তাদের প্রস্তুতি শুরু করেছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, আগামী রোববার বা পরবর্তী কার্যদিবসে কমিশনের সভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। খুব দ্রুতই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পরই নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ করা হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী এই নির্বাচন পরিচালিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সদস্য এই নির্বাচনে নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে ভোট দেবেন। নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, যদি একক প্রার্থী থাকেন তবে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। আর একাধিক প্রার্থী থাকলে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মতো জাতীয় সংসদে ভোটগ্রহণের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

















