ভারতের ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন ছাত্র আন্দোলনের একটি প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। সেই দাবি অনুযায়ী ধর্মেন্দ্র প্রধান ইতিমধ্যে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এই পদত্যাগের খবর পাওয়ার পরও সিজেপি তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে সরে আসছে না বলে জানিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানান, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করলেও বিক্ষোভকারীরা এখনই আন্দোলনস্থল ছেড়ে যাবে না। ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগের পর বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রথম ভাষণে তিনি এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সিজেপির পক্ষ থেকে আরও তিনটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়।
সংগঠনটির নতুন দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে নিট পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিটি পরিবারের জন্য ১ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ প্রদান। একই সঙ্গে, আন্দোলনকারী কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনি বা অন্য কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলে তারা আল্টিমেটাম দিয়েছে। এছাড়া তৃতীয় দাবি হিসেবে তারা জানিয়েছে, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) এবং দিল্লি পুলিশকে বিক্ষোভকারীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।
এদিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের খবর পৌঁছালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজয়-উল্লাস লক্ষ্য করা যায়। এই ঘটনাকে ঘিরে ভারতের বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী, পরিবেশবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নিজেদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল বিষয়টিকে ভারতের গণতন্ত্রের বড় জয় হিসেবে অভিহিত করেছেন। এছাড়া এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ সোনাম ওয়াংচুকও একে গণতন্ত্রের বিজয় বলে মন্তব্য করেছেন।

















