সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তার দেশ লেবাননে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা রাখে না। তিনি প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সামরিক বলপ্রয়োগের সম্ভাবনা সম্পূর্ণভাবে নাকচ করে দিয়েছেন।
সম্প্রতি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আল জাজিরা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান, তার দেশ লেবাননে শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতিকে সমর্থন করে। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক সামরিক শক্তির বদলে আইনের শাসনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা উচিত। বিগত কয়েক মাস ধরে বৈরুতের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে দামেস্ক ধারাবাহিকভাবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আসছে।
সিরিয়া ও লেবানন পরস্পরের ভৌগোলিক প্রতিবেশী এবং দেশ দুটির মধ্যে বেশ কিছু অভিন্ন ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো শরণার্থী সংকট, মাদকের অবৈধ চালান এবং অস্ত্র পাচার রোধ।
সিরীয় সরকার জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে এসব অপরাধমূলক তৎপরতা বন্ধে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে, ইরাকভিত্তিক ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো থেকে লেবাননের হেজবুল্লাহর কাছে পাঠানো অস্ত্রের একাধিক চালান জব্দ করেছে সিরীয় বাহিনী।
প্রেসিডেন্ট আল-শারা আরও সতর্ক করে বলেন, লেবাননে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক বা নিরাপত্তা অস্থিরতা দেখা দিলে তার নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি সিরিয়াতেও এসে পড়বে। এমন পরিস্থিতি দামেস্ক কোনোভাবেই দেখতে চায় না বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

















