রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আয়োজনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যারা একাত্তরকে ভুলে যেতে চায় বা ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা কখনো বাংলাদেশে বিশ্বাস করে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিশ্বাস করতে হলে অবশ্যই একাত্তরকে সামনে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। তবে একাত্তরকে সামনে আনার অর্থ চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানকে পেছনে রাখা নয়। জুলাই মাসের সেই গণ-অভ্যুত্থানকেও সমান গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করতে হবে, কারণ অসংখ্য সন্তান বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ দিয়েছে এবং ফ্যাসিস্ট সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। বিএনপি একাত্তর ও চব্বিশ কোনোটিকেই ছোট করে দেখে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, ধর্মের নামে একটি গোষ্ঠী সচেতনভাবে দেশকে বিভাজনের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি উগ্রবাদ ও মৌলবাদকে প্রশ্রয় না দিয়ে একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি কাউকে সংখ্যালঘু মনে করে না এবং বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। গত জাতীয় নির্বাচনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের সমস্যা সমাধানে দল ও ভবিষ্যৎ সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের পেছনে সংখ্যালঘুদের ভোট বড় ভূমিকা রেখেছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে দেখেন। সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার যেকোনো পরিস্থিতির বিশ্লেষণে পক্ষপাত না করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার ওপর জোর দেন। সভায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৪৬টি সংগঠনের প্রতিনিধি অশোক তরু সাহা মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি সম্প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের হার বাড়ার অভিযোগ তুলে সরকারের কাছে বিশেষ ভূমিকার দাবি জানান।
সম্মিলিত সনাতন পরিষদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করা, হিন্দু ধর্মীয় উৎসবে সরকারি ছুটি এবং হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ফাউন্ডেশনে রূপান্তরের মতো বেশ কিছু দাবি জানানো হয়। সভাটি সঞ্চালনা করেন প্রদীপ কুমার আচার্য এবং সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক হীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ।
সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস।সভায় আরও বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ–৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ।সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৪৬টি স

















