রাজধানীর দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকার নিজ বাসা থেকে গত ৩০ জুলাই দন্তচিকিৎসক সারাহ রোকসানা পিনুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে, দুর্বৃত্তরা জানালার গ্রিল কেটে বাসায় ঢুকে তাকে হত্যা করেছে। তবে তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা জুতার ছাপ পরীক্ষা করে দেখে। এতে সোহেল রানার জুতার সঙ্গে ছাপের মিল পাওয়া গেলে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান গত ১ আগস্ট সোহেল রানাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী ৩ আগস্ট দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার দিন নিহতের মেয়ে স্কুল থেকে বাসায় ফিরে তার মাকে খাটে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে বাবাকে খবর দেওয়া হলেও তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা করেননি। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা তার স্ত্রীর প্রতি ব্যক্তিগত অসন্তোষের কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং রিমান্ড শুনানি পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

















