২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো নির্দিষ্ট দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক অর্জন নয়, বরং এর প্রকৃত মহানায়ক হলো বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী সাধারণ জনগণ। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন শেষে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ যেমন স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই ছিল, তেমনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের মতো ২০২৪ সালের শহীদদেরও জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।
নিহতদের পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন যে, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে সম্পন্ন করা হবে। আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এই বিচারকার্য পরিচালনা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বর্তমান সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর এবং প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়াকে অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে।
স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এটি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ব্যক্তির রাজনৈতিক ভাষ্য প্রচারের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে না। এছাড়া, বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন কিংবা গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের স্মৃতি ধরে রাখতে সরকার একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে, শহীদদের নিজ নিজ এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণ তাদের নামে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।

















