রাজনীতি

ড. ইউনূসকে বাদ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা করার চেষ্টা হয়েছিল: আসিফ নজরুল

প্রতিবেদক
ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত কারা ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত কারা লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত ভোলা-পটুয়াখালী-নোয়াখালীর বালুতে খনিজ খুঁজবে পরমাণু শক্তি কমিশন ভোলা-পটুয়াখালী-নোয়াখালীর বালুতে খনিজ খুঁজবে পরমাণু শক্তি কমিশন ২০২৭ সাফ গেমসে অংশ নেবে ভারত, নিশ্চিত করল পাকিস্তান ২০২৭ সাফ গেমসে অংশ নেবে ভারত, নিশ্চিত করল পাকিস্তান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ড. খলিলুর রহমানের শপথ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ড. খলিলুর রহমানের শপথ বেনজীর আমিরাতেই অবস্থান করছেন, ফেরাতে কূটনৈতিক চাপ দিচ্ছে সরকার বেনজীর আমিরাতেই অবস্থান করছেন, ফেরাতে কূটনৈতিক চাপ দিচ্ছে সরকার ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতা রাঙ্গামাটিতে প্রতি মাসে ২০ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে ইউপিডিএফ রাঙ্গামাটিতে প্রতি মাসে ২০ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে ইউপিডিএফ
সব খবর

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে ছাত্রদের দৃঢ় অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত ড. ইউনূসই প্রধান উপদেষ্টা হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সম্প্রতি প্রথম আলোর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন। তিনি ৫ ও ৬ আগস্টের ঘটনাবলী, সেনা সদর ও বঙ্গভবনের বৈঠক এবং ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

আসিফ নজরুল জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কলাম লেখা, টক শোতে অংশগ্রহণ এবং রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে ছাত্রদের সঙ্গে তার সবসময়ই যোগাযোগ ছিল, তাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তার যুক্ত থাকাটা স্বাভাবিক ছিল। তিনি ধীরে ধীরে সরকারের পতন সম্পর্কে আশাবাদী হন, বিশেষ করে যখন সেনাবাহিনী জনগণের বিরুদ্ধে অস্ত্র না ধরার ঘোষণা দেয়। ১৭ জুলাই শিক্ষকদের শাহবাগ থানা থেকে ছাত্র ছাড়িয়ে আনা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের সমাবেশ, ১৯ জুলাই শাহবাগে অভিভাবকদের সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেন। ২ আগস্টের দ্রোহযাত্রায় সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ এবং জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে মানুষের মধ্যে রাজপথ না ছাড়ার দৃঢ় সংকল্প তাকে মুগ্ধ করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই অভ্যুত্থানের শেষ দিকে এসে তার মধ্যে কোনো মৃত্যুভয় কাজ করছিল না, যা ছিল এক বিস্ময়কর আবিষ্কার।

জুলাইয়ের শেষ দিকে তাকে সতর্ক করা হয়েছিল বলে জানান আসিফ নজরুল। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিচয়ে এক সেনা সদস্য তাকে শেখ হাসিনার পক্ষে স্নাইপার নামার এবং নেতৃস্থানীয়দের গ্রেপ্তারের খবর দেন। ৪ আগস্ট রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের আত্মীয় পরিচয়ে আরেকজন এসে তাকে ও বুয়েটের অধ্যাপক হাসিব চৌধুরীকে মেরে ফেলার আশঙ্কার কথা জানিয়ে বাসায় না থাকার অনুরোধ করেন। সেদিন রাতে তিনি ফুলার রোডে অধ্যাপক মোস্তফা আল মামুনের বাসায় ছিলেন। প্রথম সতর্কতার তারিখ সম্পর্কে তার ঠিক মনে না থাকলেও, ২৪/২৫ জুলাই হতে পারে বলে তিনি ধারণা করেন।

৫ আগস্ট, সরকারের পতনের দিন, আসিফ নজরুল ছিলেন সেনা সদরে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে একমাত্র নাগরিক প্রতিনিধি। সেদিন দুপুরে সেনাবাহিনীর ফোন পেয়ে তিনি আর্মি হেডকোয়ার্টারে যান। পথে জিগাতলা পার হয়ে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর মোড়ের কাছে আন্দোলনকারীদের উল্লাস ও চ্যাংদোলা করে তাকে নিয়ে যাওয়ার অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়। সেনা সদরে আর্মি চিফ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নেভি ও এয়ারফোর্স চিফসহ বিএনপি, জামায়াত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলন এবং জাতীয় পার্টির প্রায় ২০ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সংসদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে বিতর্ক চলছিল, যেখানে আসিফ নজরুল দৃঢ়ভাবে সংসদ ভেঙে দেওয়ার পক্ষে মত দেন। এই সময় টেলিভিশন চলছিল এবং শেখ হাসিনা বিমানে করে দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন দেখে তিনি ওয়াকার-উজ-জামানকে জানান। পরে তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

আসিফ নজরুল জানান, সেনা প্রধানের জাতির উদ্দেশে দেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ঘোষণা নিয়ে তার সঙ্গে সরাসরি কথা হয়নি। তিনি শুধু ওয়াকার-উজ-জামানকে বলেছিলেন যে শেখ হাসিনা আর নেই, এটি পরিষ্কার করে জনগণকে শান্ত হতে বলা উচিত এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত ছাত্র ও রাজনীতিবিদদের নেওয়া উচিত। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে, বিশেষ করে জাতীয় পার্টির আগ্রহে। ক্যান্টনমেন্ট ঘিরে লাখো মানুষের ভিড়ের মধ্যে দিয়ে অবিস্মরণীয় এক যাত্রার পর তারা বঙ্গভবনে পৌঁছান। সেখানে সেনা সদরের চেয়েও বেশি প্রায় ৪০ জন রাজনীতিবিদ উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আসিফ নজরুলের সঙ্গে করমর্দন করে তাকে ‘ভরসা’ বলে সম্বোধন করেন।

বঙ্গভবনের বৈঠকে খালেদা জিয়ার অবিলম্বে মুক্তি, সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং রাজবন্দীদের মুক্তি দেওয়ার দাবি তোলেন আসিফ নজরুল। তিনি জোর দেন যে, সরকার গঠনের যেকোনো সিদ্ধান্ত ছাত্রদের মতামত অনুযায়ী হতে হবে। জি এম কাদের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার যুক্তিতে মার্শাল ল অথবা জরুরি অবস্থা জারির কথা তুললে সবাই তীব্র প্রতিবাদ জানায়। বৈঠক থেকে রাজবন্দীদের মুক্তি, খালেদা জিয়ার মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন, সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং দ্রুত শান্তিশৃঙ্খলা ফেরানোর সিদ্ধান্ত আসে। ছাত্রদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে সবাই একমত হয়। আসিফ নজরুলকে ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তার অনুরোধে আখতার হোসেনকে সেদিন রাতেই জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

ওই বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে কয়েকজন প্রবেশ করলে হাসনাত কাইয়ূম আসিফ নজরুলকে তাদের সমন্বয়ক হিসেবে পরিচয় না করিয়ে দিতে বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল নাহিদ, আসিফ, সারজিসদের কথা উল্লেখ করে বলেন যে তাদের মতামত সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। ৫ আগস্ট রাতেই কার্জন হলের একটি কক্ষে নাহিদ, আসিফ, সারজিস, মাহফুজ ও নাসীরসহ ছাত্রনেতাদের সঙ্গে আসিফ নজরুলের বৈঠক হয়। সেখানে ছাত্ররা ড. ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করার প্রস্তাব দেয়। আসিফ নজরুল প্রথমে ড. ইউনূসের রাজনীতিতে অনীহার কথা জানালেও, ছাত্ররা জানায় যে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং ড. ইউনূস রাজি। ছাত্রদের সরকারে অংশগ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।

৬ আগস্ট সকালে সেনা সদরে ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে আসিফ নজরুলের আরেকটি বৈঠক হয়। সেখানে ওয়াকার-উজ-জামান ড. ইউনূসের শ্রম আইনের মামলায় দণ্ডিত হওয়া এবং অর্থ পাচারের অভিযোগের বিষয়ে আপত্তি তোলেন। আসিফ নজরুল এসব অভিযোগকে আওয়ামী লীগ সরকারের অপপ্রচার আখ্যা দিয়ে ড. ইউনূসের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মান এবং বিকল্পহীনতার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, জো বাইডেন এবং স্পেনের রানির সঙ্গে ড. ইউনূসের সম্পর্কের বর্ণনা দেন। ওয়াকার-উজ-জামান পরে এয়ারফোর্স ও নেভি চিফকে ডেকে ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করার বিষয়ে সম্মতি দেন। আসিফ নজরুলের ধারণা, এরপর সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের বৈঠকের আগে ওয়াকার-উজ-জামানকে কেউ চাপ সৃষ্টি করেছিল।

৬ আগস্ট সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের বৈঠকে ছাত্ররা সরাসরি উপস্থিত ছিল। মিটিং শুরুর আগে ওয়াকার-উজ-জামান ছাত্রদের সঙ্গে আলাদাভাবে বসার প্রস্তাব দেন। ছাত্রনেতারা (নাহিদ, আসিফ, মাহফুজ, নাসীর, হাসনাত, সারজিস, বাকের, নুসরাত) তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আসিফ নজরুল ছাত্রদের আগেই ইউনূস স্যার ছাড়া অন্য কারও ব্যাপারে রাজি না হওয়ার কথা বলেছিলেন। ছাত্ররা তাদের অবস্থানে অনড় থাকে এবং ড. ইউনূসকেই প্রধান উপদেষ্টা করার পক্ষে থাকে। পরে রাষ্ট্রপতিসহ আনুষ্ঠানিক পর্বে সবাই অনিচ্ছাসত্ত্বেও ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মেনে নেন।

উপদেষ্টাদের তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ার বিষয়ে আসিফ নজরুল জানান, ৬ আগস্ট রাতের বৈঠকে ছাত্ররা ১০-১৫ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করে, যা তিনি জানতেন না। ছাত্ররা প্রথমে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করতে চাইলেও, বিএনপি রাজি না হওয়ায় অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে সরকার গঠনের চিন্তা আসে। ৭ আগস্ট রাতে নাহিদসহ ছাত্রনেতারা আসিফ নজরুলের বাসায় এসে উপদেষ্টাদের নাম নিয়ে আলোচনা করেন। তারা রিজওয়ানা হাসান ও সালেহউদ্দিন আহমেদের নাম তাদের তালিকায় আছে বলে জানান। আসিফ নজরুল সাবেক পররাষ্ট্রসচিব মো. তৌহিদ হোসেনকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করার প্রস্তাব দেন, যা ছাত্ররা গ্রহণ করে। তিনি পরে জানতে পারেন, বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী ঐক্যজোট, গণতন্ত্র মঞ্চ এবং মাহমুদুর রহমানের মতো আস্থাভাজন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। ড. ইউনূসেরও এতে সম্মতি ছিল।

৮ আগস্ট সকালে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে যান আসিফ নজরুল। সেখানে ভিভিআইপি টার্মিনালে ড. ইউনূস নাহিদসহ ছাত্রনেতাদের বুকে জড়িয়ে ধরেন। একটি কক্ষে ড. ইউনূস, নাহিদ, আর্মি চিফ এবং আরও দু-একজনের সঙ্গে আসিফ নজরুল সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত নিয়ে সরকার গঠনের সুযোগের কথা জানান। ড. ইউনূস সেভাবেই নির্দেশ দেন। বিমানবন্দরেই উপদেষ্টাদের চূড়ান্ত তালিকায় স্যারের সম্মতি নেওয়া হয়। পরে গুলশানে ড. ইউনূসের বাসায় পোর্টফোলিও নিয়ে আলোচনা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে আসিফ নজরুল মানুষের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া, সত্যিকারের প্রতিনিধিদের সংসদ ও সরকার গঠন, কিছু সংস্কার, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের জন্য কাজ, গুম-খুনের বিচার এবং আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর কথা উল্লেখ করেন। ড. ইউনূসের কারণে গণ-অভ্যুত্থানবিরোধী আন্তর্জাতিক প্রচারণা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি জানান। ব্যর্থতাগুলোর মধ্যে তিনি মব নিয়ন্ত্রণ, মামলায় ভুয়া আসামি রাখার সংস্কৃতি, প্রথম আলো-ডেইলি স্টার-এ আক্রমণ এবং ৩২ নম্বর ভাঙা রোধে ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেন। হামের টিকা নিয়ে ভুল সিদ্ধান্তকেও তিনি পীড়াদায়ক বলে অভিহিত করেন।

গণ-অভ্যুত্থানের মুখ হিসেবে পরিচিত ছাত্রনেতৃত্বের রাজনৈতিক দল এনসিপি সম্পর্কে আসিফ নজরুল বলেন, তারা খারাপ করছে না। সংসদে নাহিদ, আখতার ও হাসনাত ভালো ভূমিকা রাখছে এবং তৃতীয় ধারার রাজনীতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের বিষয়ে তিনি বলেন, হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন, ভোটাধিকার, গুম, গায়েবি মামলা ও নির্যাতন বন্ধ, কোটাব্যবস্থা বিলোপ এবং শ্রমিকদের জন্য ভালো শ্রম আইন হয়েছে। তবে এসব অর্জনকে স্থায়ী করতে হবে এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য আরও পদক্ষেপ নিতে হবে। অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিয়ে কাড়াকাড়িকে তিনি আমাদের মজ্জাগত অভ্যাস বলে উল্লেখ করেন।

ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত কারা ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত কারা লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত ভোলা-পটুয়াখালী-নোয়াখালীর বালুতে খনিজ খুঁজবে পরমাণু শক্তি কমিশন ভোলা-পটুয়াখালী-নোয়াখালীর বালুতে খনিজ খুঁজবে পরমাণু শক্তি কমিশন ২০২৭ সাফ গেমসে অংশ নেবে ভারত, নিশ্চিত করল পাকিস্তান ২০২৭ সাফ গেমসে অংশ নেবে ভারত, নিশ্চিত করল পাকিস্তান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ড. খলিলুর রহমানের শপথ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ড. খলিলুর রহমানের শপথ বেনজীর আমিরাতেই অবস্থান করছেন, ফেরাতে কূটনৈতিক চাপ দিচ্ছে সরকার বেনজীর আমিরাতেই অবস্থান করছেন, ফেরাতে কূটনৈতিক চাপ দিচ্ছে সরকার ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতা রাঙ্গামাটিতে প্রতি মাসে ২০ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে ইউপিডিএফ রাঙ্গামাটিতে প্রতি মাসে ২০ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে ইউপিডিএফ
সব খবর