প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব। জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল নীতি, যার মূল স্লোগান হলো ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’। সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রতিটি রূপকল্পের সঙ্গে এমডিজি বা বর্তমান এসডিজির লক্ষ্যের মিল রয়েছে। এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও সামঞ্জস্য রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
দীর্ঘ সময়ের শোষণ ও শাসনে বাংলাদেশ একসময় ঋণ ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্র পুনর্গঠন এখন অত্যন্ত জরুরি। সরকার দেশ পুনর্গঠনে ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’—এই তিন স্তরের কৌশল গ্রহণ করেছে। এছাড়া দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা ও সুশাসনকে সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এসডিজি বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবাইকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

















